22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনরাজস্থান হাই কোর্ট ভিক্রাম ভাট ও স্ত্রীর জমানত অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে

রাজস্থান হাই কোর্ট ভিক্রাম ভাট ও স্ত্রীর জমানত অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে

রাজস্থান হাই কোর্ট সোমবার ভিক্রাম ভাট এবং তার স্ত্রী শ্বেতাঞ্জলি ভাটের জমানত আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। উডাইপুরে রুপি ৩০ কোটি মূল্যের জালিয়াতি মামলায় উভয়কে বর্তমানে জ্যুশিয়াল কারাগারে রাখা হয়েছে। দম্পতি জিএফআইআর বাতিল এবং অস্থায়ী মুক্তি চেয়ে আদালতে আবেদন করলেও বিচারক প্যানেল তাদের অনুরোধে সম্মতি দেননি।

মামলাটি উডাইপুরের পুলিশ বিভাগে দায়ের হয়, যেখানে ভাট ও তার স্ত্রীর ওপর আর্থিক লেনদেনের জালিয়াতি সন্দেহে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ অনুসারে, তারা বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বড় পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে ব্যবহার না করে অন্য কাজে ব্যবহার করার অভিযোগে অভিযুক্ত।

বিচারক প্যানেল জমানত আবেদন পর্যালোচনা করে জানায়, জমানত প্রদান করলে তদন্তের স্বচ্ছতা ও প্রমাণ সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, আদালত উল্লেখ করে যে, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য জ্যুশিয়াল কারাগারে থাকা অপরিহার্য।

দম্পতি জমানত আবেদনপত্রে জিএফআইআর বাতিলের পাশাপাশি অস্থায়ী মুক্তি চেয়েছিলেন, যাতে তারা মামলার প্রস্তুতিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারে। তবে আদালত তাদের এই চাহিদা প্রত্যাখ্যান করে, তদন্তের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ভিক্রাম ভাট ও শ্বেতাঞ্জলি ভাটের জ্যুশিয়াল কারাগারে অবস্থান অব্যাহত থাকবে। আদালত তদন্তের অগ্রগতি অনুসারে পরবর্তী কোনো রিলিজের সম্ভাবনা পুনর্বিবেচনা করবে।

মামলাটির মূল বিষয় হল রুপি ৩০ কোটি মূল্যের আর্থিক জালিয়াতি, যা উডাইপুরের স্থানীয় ব্যবসায়িক পরিবেশে বড় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। উডাইপুরের পুলিশ বিভাগ ইতিমধ্যে বহু সাক্ষী ও নথিপত্র সংগ্রহ করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

বিচারিক প্রক্রিয়ার এই পর্যায়ে, ভিক্রাম ভাটের আইনজীবীরা আদালতে অতিরিক্ত রিলিজের আবেদন করতে পারে, তবে বর্তমান রায় অনুসারে তা কঠিন বলে মনে হচ্ছে।

বিবেচনা করা হচ্ছে যে, ভবিষ্যতে যদি নতুন প্রমাণ বা স্বীকারোক্তি উপস্থাপিত হয়, তবে আদালত পুনরায় রায় পরিবর্তন করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত, জমানত প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে ধরা হচ্ছে।

এই মামলায় জড়িত আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ও জটিলতা বিবেচনা করে, উডাইপুরের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশেষ নজর দিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

বিবাদিত বিষয়গুলোতে, উডাইপুরের স্থানীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী ও বিনিয়োগকারী সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এই ধরনের বড় আর্থিক জালিয়াতি তাদের বিশ্বাসকে প্রভাবিত করতে পারে।

অধিকন্তু, ভিক্রাম ভাটের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বহু সহযোগী ও কর্মচারীও এই মামলার ফলে প্রভাবিত হতে পারে।

মামলার পরবর্তী ধাপগুলোতে, আদালত ও পুলিশ উভয়ই প্রমাণ সংগ্রহের জন্য অতিরিক্ত সময় নিতে পারে, এবং প্রয়োজনীয় হলে অতিরিক্ত অভিযুক্তদেরও জড়িত করা হতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, রাজস্থান হাই কোর্টের এই রায় উডাইপুরের জালিয়াতি মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করে, যেখানে তদন্তের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মামলাটির অগ্রগতি ও আদালতের পরবর্তী রায় সম্পর্কে তথ্য প্রকাশিত হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments