27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি নেতা আমির খোসরু মাহমুদ চৌধুরীর বার্ষিক আয় ২০১৮ থেকে দ্বিগুণ, ১.৬...

বিএনপি নেতা আমির খোসরু মাহমুদ চৌধুরীর বার্ষিক আয় ২০১৮ থেকে দ্বিগুণ, ১.৬ কোটি টাকা

বিএনপি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য ও চট্টগ্রাম‑১১ (বন্দর‑পাটেঙ্গা) আসনের প্রার্থী আমির খোসরু মাহমুদ চৌধুরীর ২০১৮ সালের পর থেকে বার্ষিক আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে; ২০২৩‑২৪ অর্থবছরে তিনি ১.৬ কোটি টাকার বেশি আয় ঘোষণা করেছেন।

২০১৮ সালে তার মোট বার্ষিক আয় ছিল ৭৩.৭ লাখ টাকা, যা বর্তমান আয়ের অর্ধেকেরও কম। একই সময়ে তিনি শেয়ার বাজারে ১.৯৭ কোটি টাকার শেয়ার ধারণ করতেন, যা এখন ৫.২৭ কোটি টাকার শেয়ার ও বন্ডে বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত অর্থবছরে শেয়ার বাজারে তিনি ৭৮ লাখ টাকার ক্ষতি স্বীকার করেছেন, তবে তা সত্ত্বেও তার মোট আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই বৃদ্ধির প্রধান উৎস ছিল কনকর্ড রিয়েল এস্টেট থেকে প্রাপ্ত ৮০ লাখ টাকার সাইনিং ফি, যা তার সাম্প্রতিক আয়ের বড় অংশ গঠন করে।

তার স্ত্রী তাহেরা আলম, যিনি নিজেও ব্যবসায়ী, ২০১৮ সালে ৯.১ লাখ টাকার আয় থেকে ২০২৩‑২৪ সালে ৩৭.৮ লাখ টাকায় বৃদ্ধি পেয়েছেন। তিনি কনকর্ড রিয়েল এস্টেট থেকে ৭.০২ লাখ টাকার সাইনিং ফি পেয়েছেন, যা তার আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।

খোসরু নিজে শেয়ার বাজারের ক্ষতি বাদে বছরে প্রায় ৩১ লাখ টাকার ব্যক্তিগত ব্যয় করেন। তিনি চট্টগ্রামের খাটুঙ্গোণে বাণিজ্যিক সম্পত্তি সম্প্রসারণে ৩২.৬ লাখ টাকা এবং কাট্টালিতে নিজের বাড়ি নির্মাণে সমান পরিমাণ বিনিয়োগ করেছেন। খাটুঙ্গোণে তিনি একটি ব্যাংকের জন্য স্থান ভাড়া দেন এবং মোট ১২টি দোকান পরিচালনা করেন।

তার সম্পদ তালিকায় আলফা সিকিউরিটিজ থেকে প্রাপ্ত বোনাস শেয়ার থেকে ৩৬.৮ লাখ টাকা এবং বন্ড ও সুদ থেকে ৩৬.৩ লাখ টাকা আয় অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্তভাবে, গত বছর তিনি ২ কোটি টাকার নগদ সম্পদ রাখার তথ্য দিয়েছেন, আর তার স্ত্রীর নগদ সম্পদ ছিল ১.৬৭ কোটি টাকা।

দ্রব সম্পদের পাশাপাশি, তার গাড়ির মূল্য ৭.৫ লাখ টাকা হিসেবে ঘোষিত, যেখানে তার স্ত্রীর গাড়ির মূল্য ৪০.৫ লাখ টাকা। এই সম্পদ বিবরণ তার স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যবসায়িক প্রোফাইলকে তুলে ধরে।

আইনি দিক থেকে, তার বিরুদ্ধে ৩৫টি অপরাধমূলক মামলা দায়ের ছিল, যার মধ্যে ৩৪টি মামলা বর্তমানে স্থগিত বা হ্রাস পেয়েছে, ফলে তার আইনি ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

রাজনৈতিকভাবে, তিনি ব্যবসায়িক পটভূমি নিয়ে চট্টগ্রাম‑১১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মুখোমুখি হচ্ছেন। তার সম্পদ বৃদ্ধির তথ্য নির্বাচনী সময়ে বিরোধী দলের নজরে এসেছে, যা ভোটারদের মধ্যে স্বার্থপরতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা উত্থাপন করতে পারে।

বিএনপি নেতৃত্বের মধ্যে তার আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন পার্টির অভ্যন্তরে সম্পদ স্বচ্ছতা ও নীতি নির্ধারণে নতুন আলোচনার সূচনা করতে পারে। বিশেষত, শেয়ার বাজারের ক্ষতি সত্ত্বেও সম্পদ বৃদ্ধি কীভাবে পার্টির আর্থিক নীতিতে প্রভাব ফেলবে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

পরবর্তী নির্বাচনী চক্রে তার আর্থিক রেকর্ড ও আইনি অবস্থার বিশ্লেষণ ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে এই তথ্যগুলো রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হয়ে থাকবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments