20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনজন মেয়ার ও মেকজি চ্যাপলিন স্টুডিওর নাম পুনঃপ্রতিষ্ঠা, লস এঞ্জেলেসে ঐতিহাসিক লটের...

জন মেয়ার ও মেকজি চ্যাপলিন স্টুডিওর নাম পুনঃপ্রতিষ্ঠা, লস এঞ্জেলেসে ঐতিহাসিক লটের নতুন পরিচয়

জন মেয়ার এবং চলচ্চিত্র পরিচালক মেকজি লস এঞ্জেলেসের ঐতিহাসিক স্টুডিও লটে চ্যাপলিন স্টুডিওর নাম পুনরায় স্থাপন করছেন। এই পদক্ষেপটি গত নভেম্বরের পরে এক বছর পর নেওয়া হয়েছে, যখন তারা জিম হেনসন কোম্পানির সম্পত্তি অধিগ্রহণ করেছিল।

লটটি মূলত ১৯১৭ থেকে ১৯৫৩ পর্যন্ত চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি চার্লি চ্যাপলিনের ব্যক্তিগত স্টুডিও হিসেবে কাজ করত। চ্যাপলিনের সৃজনশীল কাজের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় এই স্থানটি হলিউডের প্রাথমিক স্বর্ণযুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।

১৯৬৬ সালে এই লটটি এন্ডি অ্যান্ড মার্টিন রেকর্ডসের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয় এবং এএন্ডএম নামের অধীনে বহু সঙ্গীতশিল্পীর রেকর্ডিংয়ের স্থান হয়ে ওঠে। ২০০০ সালে জিম হেনসন কোম্পানি এই সম্পত্তি কিনে, তখন থেকে এটি হেনসন টেলিভিশন ও পাপেট শো উৎপাদনের ঘাঁটি হয়ে থাকে।

সঙ্গীতের দিক থেকে এই স্টুডিওটি লেড জেপেলিন, পল ম্যাককার্টনি, জোনি মিচেল, দ্য কার্পেন্টার্স, ক্যারোল কিং এবং ক্যাট স্টিভেন্সের মতো বিশাল নামের রেকর্ডিংয়ের স্থান হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ১৯৮৫ সালের “উই আর দ্য ওয়ার্ল্ড” গানের রেকর্ডিং সেশন এখানে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রে চার্লস, বিলি জোয়েল এবং ব্রুস স্প্রিংস্টিনসহ বহু বিশিষ্ট শিল্পী অংশগ্রহণ করেন।

টেলিভিশন ও অ্যানিমেশন ক্ষেত্রে এই স্টুডিওটি পেরি মেসন ও হ্যানা-বার্বেরা প্রোডাকশনসের শুটিংয়ের জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে এটি সঙ্গীত ও দৃশ্যমান শিল্প উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।

আজকের দিনে এই লটটি কেবল রেকর্ডিং স্টুডিওই নয়, লাইভ পারফরম্যান্সের জন্যও জনপ্রিয় স্থান। শিল্পীরা এখানে শোনার পার্টি, অ্যালবাম লঞ্চ এবং ছোট আকারের কনসার্টের আয়োজন করেন, যা দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের সুযোগ দেয়।

জন মেয়ার নিজে এই লটে একটি অফিস স্থাপন করেছেন, যেখানে তিনি তার সঙ্গীত প্রকল্প পরিচালনা করেন। একই সঙ্গে মেকজি তার কোম্পানি ওয়ান্ডারল্যান্ড সাউন্ড অ্যান্ড ভিশনের জন্য একটি কর্মস্থল গড়ে তুলেছেন, যা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন উৎপাদনে ব্যবহার হবে।

লটের মধ্যে প্রায় এক ডজনেরও বেশি অন্যান্য সৃজনশীল কোম্পানি কাজ করে, যা এটিকে একটি সমন্বিত শিল্পকেন্দ্রের রূপ দিচ্ছে। এই বহুমুখী পরিবেশ নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠছে।

মেয়ার চ্যাপলিন নাম পুনঃপ্রতিষ্ঠার পেছনে মূল কারণ হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্বকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, পুরনো ধারণা নতুন জীবনে ফিরে আসলে তরুণ প্রজন্মের জন্য আকর্ষণীয় হয়, যদিও তারা সরাসরি চ্যাপলিনের সঙ্গে পরিচিত না থাকে।

চ্যাপলিনের নামের সঙ্গে যুক্ত ঐতিহ্য ও স্মৃতি নতুন ব্র্যান্ড গড়ার চ্যালেঞ্জকে কমিয়ে দেয়, যা আধুনিক সময়ে একটি শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে সহায়তা করে। এই নামের পুনরুজ্জীবন ভবিষ্যতে লটের সাংস্কৃতিক মূল্যকে আরও বাড়াবে।

সারসংক্ষেপে, লস এঞ্জেলেসের এই ঐতিহাসিক লট এখন চ্যাপলিন স্টুডিওর নামে নতুন দিগন্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সঙ্গীত, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন শিল্পের সমন্বয়ে গঠিত এই স্থানটি ভবিষ্যতে আরও বেশি সৃজনশীল প্রকল্পের মঞ্চ হয়ে উঠবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments