22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিআলী রীয়াজ গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলে ফ্যাসিস্ট শাসন শেষ হবে বলে মন্তব্য

আলী রীয়াজ গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলে ফ্যাসিস্ট শাসন শেষ হবে বলে মন্তব্য

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ আগামী ৫ জানুয়ারি ঢাকার আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণভোট সচেতনতা কর্মশালায় উল্লেখ করেন, হ্যাঁ ভোট জয়ী হলে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে ফ্যাসিস্ট শাসনের পুনরাবির্ভাব রোধ হবে।

রীয়াজের মতে, গণভোটের ফলাফল দেশের আগামী পাঁচ দশকের নীতি ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বর্তমান শাসন কাঠামোর পরিবর্তন আনবে।

কর্মশালাটি গণভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং ভোটারদের সঠিক তথ্য প্রদান করতে আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিতদেরকে ভোটের প্রক্রিয়া, ফলাফল এবং দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়।

আলী রীয়াজ ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান, কারণ তিনি বিশ্বাস করেন ধর্মীয় গোষ্ঠীর সমর্থন গণভোটের সফলতা নিশ্চিত করতে পারে।

কর্মশালার প্রধান অতিথি ধর্ম উপদেষ্টা ড. এ. এফ. এম. খালিদ হোসেন বলেন, একবার ক্ষমতায় বসে গেলে শাসক বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করে। এ ধরনের প্রবণতা দেশের ৫৪ বছরের স্বাধীনতা ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে।

খালিদ হোসেনের বক্তব্যে তিনি জোর দেন, গণভোটের মাধ্যমে এই ধারাকে ভাঙা সম্ভব এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কারকে ত্বরান্বিত করা যাবে।

তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং সরকারি কর্মকমিশনের গঠন প্রক্রিয়ায় সরকারী ও বিরোধী দলগুলোর সমন্বিত কাজের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

উল্লেখ করা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে এবং এই নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করলে জাতীয় কল্যাণে বড় অবদান রাখা সম্ভব হবে।

রীয়াজের মতে, ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করে তা একটি অধিদফতরে রূপান্তরিত করা হলে সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান কর্মশালার সময় রীয়াজের উদ্যোগের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে ফাউন্ডেশনকে সরকারি কাঠামোর অংশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. মো. আব্দুর রশীদ এবং ধর্মসচিব মো. কামাল উদ্দিনও বক্তব্য রাখেন, যেখানে তারা গণভোটের গুরুত্ব এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

কর্মশালার সমাপ্তিতে উপস্থিত সবাই একমত হন যে গণভোটের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক সংস্কারকে ত্বরান্বিত করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলবে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, যদি হ্যাঁ ভোটের সংখ্যা প্রত্যাশিত মাত্রা অতিক্রম করে, তবে সরকারী নীতি, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং সরকারি কর্মকমিশনের কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে।

অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোও গণভোটের ফলাফলকে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সূচক হিসেবে গ্রহণের ইঙ্গিত দেয় এবং সকল পক্ষকে ফলাফল মেনে চলার আহ্বান জানায়।

এই কর্মশালা এবং রীয়াজের মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে গণভোটকে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার মূল হাতিয়ার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments