19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনঅ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ ১৮ দিনে এক বিলিয়ন ডলার অর্জন

অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ ১৮ দিনে এক বিলিয়ন ডলার অর্জন

জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বিশ্বব্যাপী একসাথে প্রদর্শনী শুরু করার পর অঠারো দিনের মধ্যে এক বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এই দ্রুত সংগ্রহ চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক আকর্ষণকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

সিরিজের পূর্ববর্তী দুইটি অংশও দ্রুত আয় অর্জন করলেও তাদের সময়সীমা কিছুটা ভিন্ন ছিল। ২০০৯ সালে প্রথম ‘অ্যাভাটার’ ১৭ দিনে এক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, আর ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ মাত্র চৌদ্দ দিনে একই সীমা অতিক্রম করে। এই তুলনা নতুন অংশের সাফল্যকে প্রেক্ষাপটে রাখে।

প্রথম অংশের মোট বিশ্বব্যাপী আয় প্রায় ২.৯ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় তিন লাখ আটচল্লিশ কোটি টাকা সমান। মুক্তির পরের বছরগুলোতে এই রেকর্ড বহু দেশে সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান পায়।

দ্বিতীয় অংশের মোট সংগ্রহ ২.৩ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় দুই লাখ ছিয়াত্তর কোটি টাকা। যদিও প্রথমের তুলনায় সামান্য কম, তবু এটি বিশ্বব্যাপী বিশাল দর্শকসীমা অর্জন করে এবং বহু বাজারে শীর্ষস্থানীয় হিসেবে রেকর্ড হয়।

‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ এখন পর্যন্ত যে দেশগুলো থেকে সর্বোচ্চ আয় পেয়েছে, তার মধ্যে চীন শীর্ষে রয়েছে। চীনে সংগ্রহিত অর্থ ১৩৮ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ষোলো হাজার পাঁচশো ষাট কোটি টাকার সমান। এই সংখ্যা সিরিজের চীনা বাজারে শক্তিশালী উপস্থিতি নির্দেশ করে।

এর পরের শীর্ষস্থানীয় বাজারগুলো হল ফ্রান্স, জার্মানি এবং দক্ষিণ কোরিয়া। ফ্রান্সে আয় ৮১ মিলিয়ন ডলার, জার্মানিতে ৬৪ মিলিয়ন ডলার এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪৪ মিলিয়ন ডলার রেকর্ড হয়েছে। এই তিনটি দেশ মিলিয়ে মোট ১.৮৯ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় হয়েছে।

বিভিন্ন মহাদেশে সমানভাবে দর্শকসীমা বজায় রাখার এই প্রবণতা দেখায় যে ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের জনপ্রিয়তা এখনো হ্রাস পায়নি। নতুন অংশটি পূর্বের তুলনায় আরও বিস্তৃত দর্শকগোষ্ঠীকে আকর্ষণ করেছে, যা আন্তর্জাতিক বক্স অফিসে প্রতিফলিত হচ্ছে।

গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জেক সুলি, যাকে স্যাম ওর্থিংটন অভিনয় করেছেন, এবং নেয়তিরি, যাকে জো সালদানিয়া চিত্রায়িত করেছেন। তাদের পরিবার একটি নতুন, আগুনে জ্বলা শত্রুর মুখোমুখি হয়, যা পূর্বের শত্রুদের তুলনায় ভিন্ন ধরণের হুমকি উপস্থাপন করে। এই নতুন শত্রু ‘ফায়ারবর্ন’ নামে পরিচিত, যার উপস্থিতি পরিবেশগত সংঘাতের নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করে।

‘ফায়ারবর্ন’ চরিত্রটি শুধু শারীরিক হুমকি নয়, বরং মানব ও প্রকৃতির সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরে। জেক ও নেয়তিরি তাদের সন্তানদের সুরক্ষায় এবং প্যান্ডোরার শান্তি রক্ষায় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়, যা গল্পে গভীরতা যোগ করে।

প্রথম দুই অংশের ভক্তদের মধ্যে নতুন অংশের ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং গল্পের গভীরতা নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে চীনা দর্শকরা সিনেমার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতাকে প্রশংসা করেছে, এবং এই প্রশংসা বক্স

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments