19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধসিআইডি রায়েরবাজারে আটজন শিকারের পরিচয় নিশ্চিত, জুলাই-আগস্টের উত্থানকালীন মৃতদেহ

সিআইডি রায়েরবাজারে আটজন শিকারের পরিচয় নিশ্চিত, জুলাই-আগস্টের উত্থানকালীন মৃতদেহ

দিল্লার রায়েরবাজার কবরস্থানে জুলাই‑আগস্ট ২০২৪-এ সংঘটিত রাজনৈতিক উত্থানের সময় নিহত আটজনের পরিচয় সিআইডি (ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট) নিশ্চিত করেছে। মৃতদেহগুলো পূর্বে অচেনা হিসেবে দাফন করা হলেও, সাম্প্রতিক DNA বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিবারগুলোর সরবরাহ করা নমুনার সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে। এই প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ শিকারের নাম ও পিতার নাম সরকারী রেকর্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

পরিচয়প্রাপ্ত শিকারের তালিকায় রয়েছে ময়মনসিংহের গাজি মামুদের পুত্র মাহিন মিয়া, শেরপুরের আবদুল মালেকের পুত্র আসাদুল্লাহ, চাঁদপুরের সবুজ বেপারীর পুত্র পারভেজ বেপারি, পিরোজপুরের মৃত আবদুল জব্বারের পুত্র রফিকুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জের লাল মিয়ার পুত্র সোহেল রানা, ফেনির মৃত খোরশেদ আলামের পুত্র রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার শফিকুল ইসলামের পুত্র ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদার মৃত বুলু মিয়ার পুত্র কাবিল হোসেন।

সিআইডি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই আটজন শিকার ১৮ জুলাই থেকে ২ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখে নিহত হয়েছেন। উত্থানের সময় শহরের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা বেড়েছিল, ফলে বহু মানুষ প্রাণ হারায় এবং অচেনা দেহ হিসেবে রায়েরবাজারে দাফন করা হয়।

মৃতদেহগুলোকে পুনরায় উত্তোলন করার কাজটি আদালতের অনুমোদনে করা হয়। ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত মোট ১১৪টি অচেনা দেহ উত্তোলন, অটোপসি এবং DNA নমুনা সংগ্রহের কাজ সাময়িক মরগে সম্পন্ন করা হয়। এই নমুনাগুলোকে পরিবারগুলোর সরবরাহ করা রক্ত বা লালা নমুনার সঙ্গে তুলনা করে শিকারের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পরিচয় প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অর্পণ করা হয়েছে, আর বাস্তবায়নের কাজ সিআইডি পরিচালনা করে। উভয় সংস্থাই একত্রে কাজ করে মৃতদেহের সঠিক পরিচয় নির্ধারণ এবং পরিবারকে সঠিক তথ্য প্রদান করার লক্ষ্য রাখে।

অধিকাংশ শিকারের পরিবার দীর্ঘ সময় ধরে অচেনা দেহের খবরের অপেক্ষা করছিল। এখন DNA ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের আত্মীয়দের সঙ্গে মিল পাওয়া গিয়ে শোকের সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। তবে সিআইডি জানিয়েছে যে রায়েরবাজারে এখনও অচেনা দেহের সংখ্যা রয়েছে এবং পরিচয় প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

আইনি দিক থেকে, মৃতদেহ উত্তোলন ও DNA বিশ্লেষণের কাজটি আদালতের অনুমোদনপ্রাপ্ত এবং সংশ্লিষ্ট আইন অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে সিআইডি অতিরিক্ত দেহের DNA পরীক্ষা চালিয়ে শিকারের পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট অপরাধমূলক দায়িত্ব নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করবে।

এই ধরনের তদন্তের সময় সংবেদনশীলতা বজায় রাখা জরুরি, কারণ শিকারের পরিবার ও সমাজের ওপর মানসিক প্রভাব বড়। সিআইডি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উভয়ই পরিবারকে যথাযথ সহায়তা ও তথ্য প্রদান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সারসংক্ষেপে, রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা অচেনা দেহের মধ্যে আটজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা উত্থানকালে নিহতদের পরিবারকে শেষমেশ সত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং ভবিষ্যতে আরও শিকারের পরিচয় নির্ধারণের জন্য ভিত্তি স্থাপন করে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments