সিলেট টাইটান্সের বামহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালি এক্সপ্রেসের বিপক্ষে খেলা ১৩তম ম্যাচে ইতিহাস রচনা করেছেন। তিনি মাত্র চার ওভারে পাঁচটি উইকেট নিয়ে দলকে ৭ রানে আটকে দেন, যা বি.পি.এল-এ স্পিনারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স হিসেবে রেকর্ড হয়।
নাসুমের এই পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান ৪-০-৭-৫, অর্থাৎ চার ওভার, কোনো মেইডেন না, সাত রান, পাঁচ উইকেট। এই রেকর্ডটি এখন পর্যন্ত বি.পি.এল-এ স্পিনারদের দ্বারা গৃহীত সেরা পরিসংখ্যান এবং টুর্নামেন্টের সামগ্রিকভাবে পঞ্চম সেরা পারফরম্যান্স।
পূর্বে শাকিব আল হাসান ২০১৭ সালে ঢাকা ডাইনামাইটসের হয়ে রংপুর রাইডারসের বিরুদ্ধে তিন উইকেটের জন্য ১৭ রান দিয়ে সর্বোচ্চ স্পিন পারফরম্যান্সের মালিক ছিলেন। নাসুমের ৭-রানের সীমা শাকিবের রেকর্ডকে অতিক্রম করে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।
নোয়াখালি এক্সপ্রেস প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় এবং শুরুর ওভারে দ্রুত চাপের মুখে পড়ে। ২৮ রানে তিনটি উইকেট হারিয়ে দলটি অস্থির হয়ে পড়ে, যা তাদের মোট স্কোরকে দ্রুত কমিয়ে দেয়।
নাসুমের ধারাবাহিক গড়ে দলটির পতন ত্বরান্বিত হয়। শেষ ওভারে তিনি ৫৬ রান থেকে মাত্র এক রান যোগ করে ৫৬/৯ করে দেন, ফলে নোয়াখালি এক্সপ্রেসের স্কোর ৬১ রানে আটকে যায়। পুরো ইনিংসটি মাত্র ১৪.২ ওভারে শেষ হয়।
৬১ রান ১৪.২ ওভারে আটকে যাওয়া স্কোরটি বি.পি.এল ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন এবং সিলেটের মাঠে সর্বনিম্ন রেকর্ড। পূর্বে ২০১৯ সালে কমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৬৩ রান দিয়ে রংপুর রাইডারসের বিরুদ্ধে একই রকম নিম্ন স্কোর তৈরি করেছিল।
নোয়াখালি এক্সপ্রেস এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচই হারিয়ে চলেছে, যা তাদের শুরুর পর্বকে কঠিন করে তুলেছে। প্রতিটি ম্যাচে তারা ব্যাটিংয়ে সংগ্রাম করে এবং দ্রুত আউট হয়ে যায়।
এই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে মাত্র এক খেলোয়াড়ই কিছুটা প্রতিরোধ দেখাতে পেরেছে। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৩২ বলে ২৫ রান করে দলের একমাত্র উল্লেখযোগ্য স্কোর যোগ করেন।
প্রারম্ভিক ব্যাটসম্যান হাবিবুর রহমান সোহানও ১৬ বলে ১৮ রান করে দ্রুত গতি দেখিয়েছেন, তবে তার প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত দলের পতনে যথেষ্ট না হয়।
নাসুমের এই রেকর্ড পারফরম্যান্স সিলেট টাইটান্সকে টুর্নামেন্টের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে এবং দলটি পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্পিনারদের ভূমিকা এখন থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন।
বিএলপি ২০২৫-২৬ সিজন চলমান, এবং নাসুমের মতো তরুণ স্পিনারদের উত্থান দলগুলোর কৌশলগত দিক পরিবর্তন করতে পারে। এই ম্যাচের পরিসং



