20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাঢাবি ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত

ঢাবি ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল রোববার, ৪ জানুয়ারি রাত দশটার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা তাদের ফল জানার সুযোগ পাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং ফলাফল দেখার পদ্ধতি সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছে।

ফলাফল দেখতে হলে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে লগইন করতে হবে অথবা ভর্তি পরীক্ষার নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠাতে হবে। এসএমএস পাঠালে ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইলে পৌঁছায়, যেখানে র‍্যাঙ্ক, মোট নম্বর এবং পাস/ফেল চিহ্ন থাকে। উভয় পদ্ধতিই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সিস্টেমের মাধ্যমে নিরাপদ ও দ্রুত তথ্য সরবরাহ করে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় যে মোট আবেদনকারীর মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি ফেল করেছে, অর্থাৎ একাধিক শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত ন্যূনতম পাস স্কোর অর্জন করতে পারেনি। কেবল দশ শতাংশ শিক্ষার্থীই ন্যূনতম পাস নম্বর অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, যা এই সেশনের কঠোর মূল্যায়নকে নির্দেশ করে। ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে অধিকাংশ প্রার্থীকে ভবিষ্যতে আরও প্রস্তুতিমূলক কাজের প্রয়োজন হবে।

এই বছর ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে মোট ১,০৫০টি আসন উপলব্ধ ছিল, তবে আবেদনকারী সংখ্যা ৩৪,০৬২ জনে পৌঁছেছে। ফলে প্রতিটি আসনের জন্য গড়ে ৩২ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতা করেছে, যা দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তুলনায় উচ্চ প্রতিযোগিতা স্তরকে প্রকাশ করে। এত বড় সংখ্যক আবেদনকারী একসাথে পরীক্ষা দেওয়া, পরীক্ষার আয়োজন ও মূল্যায়নে অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।

আবেদনকারীর বিশাল সংখ্যার তুলনায় কেবল দশ শতাংশ শিক্ষার্থীই ন্যূনতম পাস মানদণ্ড পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। এই শতাংশের ভিত্তিতে দেখা যায় যে অধিকাংশ প্রার্থীর প্রস্তুতি বা পরীক্ষার মানদণ্ডে ঘাটতি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম পাস নম্বরের চেয়ে অনেক শিক্ষার্থী কম স্কোর পেয়েছে, ফলে ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুনরায় আবেদন বা বিকল্প ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আসন বণ্টনের বিশদে দেখা যায়, ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ৯৩০টি, বিজ্ঞান শাখার জন্য ৯৫টি এবং মানবিক শাখার জন্য ২৫টি আসন সংরক্ষিত আছে। মোট ১,০৫০টি আসনই এই তিনটি শাখার মধ্যে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা সর্বাধিক আসন পেয়ে রয়েছে। এই বণ্টন থেকে বোঝা যায় যে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা এই ইউনিটের প্রধান ফোকাস, তবে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার জন্যও সীমিত সুযোগ রাখা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষা ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকা শহর এবং দেশের চারটি বিভাগীয় শহরে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হয়। প্রতিটি কেন্দ্রেই একই প্রশ্নপত্র ও মূল্যায়ন মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়, যাতে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেওয়া যায়। বহুমুখী স্থানিক আয়োজনের ফলে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে এবং ফলাফলকে আরও প্রতিনিধিত্বমূলক করা সম্ভব হয়েছে।

প্রতিটি আসনের জন্য গড়ে ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, যা পূর্বে উল্লেখিত আবেদনকারী সংখ্যা এবং আসন বণ্টনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই উচ্চ প্রতিযোগিতা স্তর ভবিষ্যতে ভর্তি নীতি, আসন বণ্টন এবং প্রস্তুতি কোর্সের কাঠামো পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। শিক্ষার্থীদের জন্য এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের পরবর্তী সেমেস্টারের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

আসন্ন ভর্তি সিজনে সফল হতে চাইলে প্রার্থীদের পরীক্ষার পূর্বে যথাযথ পরিকল্পনা করা, পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করা এবং সময়মত প্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরি। এছাড়া, ফলাফল জানার পর যদি পুনরায় আবেদন করার পরিকল্পনা থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগে সরাসরি যোগাযোগ করে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করা উপকারী হবে। আপনার প্রস্তুতি কেমন? আপনি কি এই ফলাফল থেকে কোনো শিক্ষা নিতে পারছেন?

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments