20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাসরকারি সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, প্রথমার্ধে পূর্বের হারই বজায়

সরকারি সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, প্রথমার্ধে পূর্বের হারই বজায়

সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্তে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের সুদ হার হ্রাসের পূর্ব পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে বিনিয়োগকারীরা পূর্বের হারেই মুনাফা পাবেন।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব আবদুর রহমান খান রোববার রাত আটটার আগে কোনো নতুন প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত পূর্বের হারই কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে ঘোষিত হারের ভিত্তিতে প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব, না হলে তা অবিলম্বে কার্যকর হতো।

এই পরিবর্তনের পটভূমি হল ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সঞ্চয় অধিদপ্তর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যা জানুয়ারি এক থেকে কার্যকর হওয়া হারে বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমানোর নির্দেশ দিয়েছিল।

অর্থ মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে এই হ্রাসের পরিকল্পনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়, ফলে সঞ্চয়পত্রের সুদ হার নির্ধারণের দায়িত্বে থাকা আইআরডি এখনো তার ছয় মাসের রিভিউ চক্রে রয়েছে।

৩০ ডিসেম্বরের প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত ছিল, সাড়ে সাত লাখ টাকার নিচে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফা ১০.৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৮.৭৪ শতাংশ, যা জুন পর্যন্ত প্রযোজ্য ছিল।

অন্যদিকে, জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত একই ক্যাটেগরির হার ৮.৭৪ শতাংশ থেকে ১১.৯৮ শতাংশের মধ্যে পরিবর্তিত হয়েছিল।

রোববারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাড়ে সাত লাখ টাকার নিচে পাঁচ বছরের সঞ্চয়পত্রে পূর্বের সর্বোচ্চ হার ১১.৯৮ শতাংশ পুনরায় কার্যকর করা হবে।

পরিবার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফা পূর্বে ১০.৫৪ শতাংশ নির্ধারিত ছিল, জুলাইতে তা ১১.৯৩ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছিল। সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হার ১০.৪১ শতাংশে হ্রাস পায়, যা পূর্বে ১১.৮০ শতাংশ ছিল; এখনও জুলাইয়ের হারই বজায় থাকবে।

বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের পাঁচ বছরের মেয়াদে সাড়ে সাত লাখ টাকার নিচে সুদ হার ১১.৮৩ শতাংশ, আর বেশি বিনিয়োগে ১১.৮০ শতাংশ নির্ধারিত রয়েছে।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার নিচে সুদ হার ১১.৮২ শতাংশ, বেশি বিনিয়োগে ১১.৭৭ শতাংশ হিসেবে স্থির রাখা হয়েছে।

ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের তিন বছরের মেয়াদে সাড়ে সাত লাখ টাকার বিনিয়োগের জন্যও পূর্বে নির্ধারিত হার বজায় থাকবে, যদিও নির্দিষ্ট শতাংশ এখানে উল্লেখ করা হয়নি।

বাজারের দৃষ্টিকোণ থেকে এই সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীর আস্থা স্থিতিশীল রাখবে এবং সঞ্চয়পত্রের চাহিদা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। সুদের হার স্থিতিশীল থাকায় ব্যাংকগুলোতে জমার প্রবাহে কোনো বড় পরিবর্তন প্রত্যাশিত নয়, ফলে সরকারের ঋণগ্রহণের খরচেও প্রভাব কমে যাবে।

অন্তত এখন পর্যন্ত আইআরডি ছয় মাস পরপর সুদ হার পুনর্বিবেচনা করবে, তাই ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতি, আন্তর্জাতিক সুদের প্রবণতা এবং সরকারি আর্থিক চাহিদা বিবেচনা করে আবার সমন্বয় হতে পারে। বিনিয়োগকারীদের জন্য বর্তমান স্থিতিশীলতা স্বল্পমেয়াদে সুবিধা দেবে, তবে দীর্ঘমেয়াদে নীতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নজরে রাখতে হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments