20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জিয়াুল আহসানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জিয়াুল আহসানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এ আজ প্রসিকিউশন জিয়াুল আহসানকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ফ্রেম করার অনুরোধ জানায়। প্রাক্তন মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াুল আহসানকে অপরাধের শিকারদের গোপনীয়ভাবে নিখোঁজ করা ও বহিষ্কৃতভাবে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হবে।

প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের সামনে অভিযোগের তালিকা উপস্থাপন করে বলেন, প্রমাণের পরিমাণ যথেষ্ট এবং মামলাটি প্রাইমা ফেসি ভিত্তিতে যথাযথ বলে তিনি মনে করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যগুলো মামলাটিকে চালু করার জন্য যথেষ্ট ভিত্তি সরবরাহ করে।

প্রসিকিউশন দাবি করে যে, জিয়াুল আহসানের কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগ শাসনকালে একশের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়েছে। এই সময়কালে তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (RAB) গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা ও অপারেশনাল পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

প্রসিকিউশন আরও জানায়, জিয়াুল আহসান সরাসরি এমন অপারেশনে অংশ নেন এবং কমান্ড দেন যেখানে আটক করা ব্যক্তিদের গোপনে অপহরণ, নির্যাতন এবং হত্যা করা হয়। হত্যার পর দেহগুলো গোপন স্থানে ফেলে দেওয়া হয় যাতে অপরাধের প্রমাণ লুকিয়ে রাখা যায়।

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গৃহীত অভিযোগের মধ্যে রয়েছে হত্যাকাণ্ড, অপহরণ, নির্যাতন, গোপনীয় নিখোঁজ করা এবং অন্যান্য অমানবিক কাজ। এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী সহযোদ্ধা হিসেবে কাজ করা এবং অপরাধ রোধে ব্যর্থতা দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।

জিয়াুল আহসান পূর্বে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের ডিরেক্টর জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন ইউনিটে গোয়েন্দা ও অপারেশনাল নেতৃত্বের দায়িত্বে ছিলেন, যা তাকে এই মামলায় বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করে তুলেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ অনুসারে, মানবাধিকার লঙ্ঘনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এ ধরনের অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার কাঠামোর অধীনে বিচারের আওতায় আনা হয়। এই আইনের অধীনে জিয়াুল আহসানের বিরুদ্ধে গৃহীত অভিযোগগুলোকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ট্রাইব্যুনাল এখন অভিযোগগুলোকে ফ্রেম করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে এবং পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণের জন্য সময়সূচি প্রকাশ করবে। যদি অভিযোগগুলো ফ্রেম করা হয়, তবে মামলাটি পূর্ণাঙ্গ বিচার প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবে, যেখানে প্রমাণের বিশদ বিশ্লেষণ এবং সাক্ষীর বিবৃতি গ্রহণ করা হবে।

আইনি বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এই মামলাটি দেশের অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়িত্বশীলদের বিচারের ধারাকে শক্তিশালী করবে। যদিও কোনো মন্তব্যের সরাসরি উদ্ধৃতি না দিয়ে, বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের মামলা দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা বাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, এই মামলাটি দেশের অতীতের অপরাধগুলোকে পুনরায় আলোচনার মঞ্চে আনবে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ লঙ্ঘন রোধে সতর্কতা জোগাবে।

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন সংস্থা সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (STC) সম্প্রতি দেশের দক্ষিণ অংশকে আলাদা করার জন্য গণভোটের আহ্বান জানিয়েছে। এই দাবি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আলোচিত হচ্ছে এবং অঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সারসংক্ষেপে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এ জিয়াুল আহসানের বিরুদ্ধে গৃহীত অভিযোগগুলো দেশের মানবাধিকার ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সম্ভাব্য বিচার প্রক্রিয়া দেশের আইনি কাঠামোর স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments