রাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি (গ্রেড‑১) কে এম শহিদুর রহমান রবিবার রাব মিডিয়া সেন্টার, কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরের গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত রাব সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করে কাজ করবে।
তিনি জোর দিয়ে বললেন, এই দুই সন্দেহভাজনকে ধরা পর্যন্ত রাবের ইউনিটগুলোকে দিন‑রাতের সব প্রক্রিয়া প্রয়োগ করতে হবে এবং ২৪ ঘণ্টা কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
ফয়সাল ও আলমগীরের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে রাবের ডিজি উল্লেখ করেছেন, তারা সম্ভবত ভারতের সীমান্ত পার হয়ে গেছেন, তবে রাব প্রযুক্তিগত ও ম্যানুয়াল সূত্রের মাধ্যমে তাদের অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
রাবের প্রযুক্তিগত দল স্যাটেলাইট, ডেটা ট্র্যাকিং এবং ইন্টারপোলের সঙ্গে সমন্বয় করে সন্দেহভাজনের অবস্থান নির্ধারণে কাজ করছে।
একই সঙ্গে, ম্যানুয়াল সূত্রের মধ্যে তথ্যদাতা, সীমান্তে নজরদারি এবং স্থানীয় গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত।
অবস্থান নিশ্চিত হলে রাব দ্রুত গ্রেফতারমূলক পদক্ষেপ নেবে এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে।
রাবের আইনগত দলও উল্লেখ করেছে যে, কোনো সন্দেহভাজন যদি দেশের বাইরে পালিয়ে যায়, তার প্রত্যাহার ও ফেরত আনার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও এক্সট্রাডিশন চুক্তি প্রয়োগ করা হবে।
এই নীতি অনুযায়ী, বিদেশে লুকিয়ে থাকা অপরাধীর বিরুদ্ধে রপ্তানি আদেশ, ইন্টারপোল রেড নোটিস এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ব্যবহার করা হয়।
রাবের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন যে, অপরাধীকে দেশে ফিরিয়ে আনা না হলে ন্যায়বিচার সম্পূর্ণ হবে না, তাই সব ধরনের আইনি ও কূটনৈতিক উপায় ব্যবহার করা হবে।
রাবের এই ঘোষণার পর, সংশ্লিষ্ট তদন্ত ইউনিটগুলো ইতিমধ্যে ফয়সাল ও আলমগীরের সম্ভাব্য গন্তব্যস্থল চিহ্নিত করতে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে।
রাবের মিডিয়া সেন্টারে উপস্থিত নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানান, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি ও মানবিক সূত্রের সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
বিশ্লেষকরা আশা প্রকাশ করেছেন, রাবের এই প্রতিশ্রুতি দেশের নিরাপত্তা সংস্থার প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াবে।
তদন্তের অগ্রগতি ও নতুন কোনো ধাপ সম্পর্কে রাবের অফিসিয়াল বিবৃতি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে আপডেট প্রদান করা হবে।



