20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাবাংলাদেশের খাদ্য মজুদ ২ মিলিয়ন টনের উপরে, পাঁচ বছরের সর্বোচ্চ স্তরে

বাংলাদেশের খাদ্য মজুদ ২ মিলিয়ন টনের উপরে, পাঁচ বছরের সর্বোচ্চ স্তরে

খাদ্য উপদেষ্টা আলি ইমাম মজুমদার আজ সেক্রেটারিয়েটে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে, দেশের মোট খাদ্য মজুদ পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে এবং বর্তমান সময়ে কোনো ঘাটতির ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে না।

সরকারি গুদামগুলোতে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২,০২৭,৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংরক্ষিত রয়েছে। এদের মধ্যে প্রধানত ১,৬৯৬,৭৮৭ টন চাল, ২৩৩,২২৪ টন গম এবং ৯৭,৪০৯ টন ধান অন্তর্ভুক্ত।

গমের ক্ষেত্রে দেশের বার্ষিক চাহিদা প্রায় সাত মিলিয়ন টন, যেখানে দেশীয় উৎপাদন মাত্র এক মিলিয়ন টনের কাছাকাছি। বাকি গমের প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য আমদানি করা বাধ্যতামূলক। অন্যদিকে চালের অধিকাংশই স্বদেশি উৎপাদন থেকে আসে; আমদানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।

উপদেষ্টা মজুমদার উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক বিষয়গুলো অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে না। দুই দেশের মধ্যে চালের বাণিজ্য অব্যাহত রয়েছে এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

তিনি আরও বললেন, “আমরা ভারতের থেকে চাল আমদানি করি এবং বিক্রি করি। এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়; বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে লেনদেন হয়। আমরা সস্তা দামে পণ্য পাওয়া উৎস থেকে ক্রয় করি।” এই মন্তব্য বাজারের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালীকে তুলে ধরে।

গত বছর দেশীয় দুর্যোগের প্রভাবে চালের দাম কিছুটা বাড়ে, তবে এই বছর পূর্বের তুলনায় প্রস্তুতি ও সঞ্চয়ের যথাযথ ব্যবস্থাপনার ফলে দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। সরকারি দৃষ্টিতে চালের মূল্য এখনো গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এভাবেই থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খাদ্য মজুদের এই উচ্চ স্তর এবং চালের স্থিতিশীল মূল্যের সমন্বয় দেশের বাজারে সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বিশেষ করে গমের ঘাটতি পূরণে আমদানি চালু থাকায়, খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে অতিরিক্ত চাপ কমে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, বর্তমান মজুদ স্তর পাঁচ বছরের সর্বোচ্চ হওয়ায় সরকারি নীতি ও সঞ্চয় পরিকল্পনা যথাযথভাবে কাজ করছে। তবে গমের চাহিদা ও উৎপাদনের পার্থক্য দীর্ঘমেয়াদে আমদানি নির্ভরতা বাড়াতে পারে, তাই গম উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষি খাতে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা রয়ে গেছে।

সারসংক্ষেপে, দেশের খাদ্য মজুদ শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে, চালের দাম স্থিতিশীল, এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কের কোনো রাজনৈতিক বাধা নেই। এই পরিস্থিতি বাজারের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখবে এবং ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ভিত্তি গড়ে তুলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments