বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ দুপুরে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভার পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে ভারত ভ্রমণ না করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। ১৭ জন বোর্ড পরিচালক উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের সমষ্টিগত মতামত ভিত্তিক এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সভায় বিসিবি পরিচালকদের মধ্যে টুর্নামেন্টের সময় ভ্রমণ সংক্রান্ত নিরাপত্তা, লজিস্টিক এবং আর্থিক দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। অধিকাংশ সদস্যের উদ্বেগ ছিল যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতীয় মাটিতে দলকে পাঠানো অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সেই日の রাতেও বিসিবি পরিচালকদের একটি অনলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই ভার্চুয়াল সেশনে উপস্থিত সদস্যরা পূর্বের আলোচনার ফলাফল পুনরায় মূল্যায়ন করেন এবং সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে মতবিনিময় করেন।
অনলাইন বৈঠকের সময় বেশিরভাগ সদস্য কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার পরামর্শ দেন। তারা উল্লেখ করেন যে, অতিরিক্ত সীমাবদ্ধতা দলকে প্রস্তুতিতে বাধা দিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মান বজায় রাখতে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
তবে, সরকারের হস্তক্ষেপের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর পরিচালনা পরিষদ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে ভারত ভ্রমণ না করার দিকে ঝুঁকে যায়। এই পরিবর্তন সরকারী নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যায়।
বিসিবি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদিন এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ সম্পর্কে স্পষ্টতা প্রদান করেন। তিনি জানান, সরকারী পরামর্শের ভিত্তিতে দলকে নিরাপদ পরিবেশে প্রস্তুত করা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য সঠিক পরিকল্পনা করা জরুরি।
নাজমুল আবেদিন আরও উল্লেখ করেন যে, এই বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি দলের অবস্থান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নেওয়া পদক্ষেপের বিস্তারিত থাকবে।
বিসিবি পূর্বে একই ধরনের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভ্রমণ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। তবে এইবারের সিদ্ধান্তে নিরাপত্তা ও সরকারের নির্দেশনা প্রধান ভূমিকা পালন করেছে, যা ভবিষ্যতে দলীয় কৌশল গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতে না গিয়ে দলকে ঘরে প্রস্তুতি নিতে হবে, যার ফলে প্রশিক্ষণ শিবির, ম্যাচের প্রস্তুতি এবং মানসিক প্রস্তুতি সবই নতুনভাবে সাজাতে হবে। এই পরিবর্তন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের জন্য অতিরিক্ত সমন্বয় দাবি করবে।
বিসিবি এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়সূচি ও প্রতিপক্ষের সঙ্গে ম্যাচের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করবে। দলীয় ক্যালেন্ডার, মিডিয়া ইন্টারঅ্যাকশন এবং ভ্রমণ ব্যয় সবই নতুনভাবে নির্ধারিত হবে।
প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর, বিসিবি দ্রুতই সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারকে অবহিত করবে এবং টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে কোনো ধীরগতি না রাখতে ব্যবস্থা নেবে। এই প্রক্রিয়ায় খেলোয়াড়, কোচ এবং সহায়ক কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বিসিবি এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে দলীয় ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্গঠন করবে, যার মধ্যে হোটেল, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার নতুন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই পরিবর্তনগুলো দ্রুত কার্যকর করা হবে যাতে খেলোয়



