27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচিফ জাস্টিস জুবায়ের রাহমান চৌধুরী ৬৬টি হাই কোর্ট বেঞ্চের কার্যক্রম পুনর্গঠন

চিফ জাস্টিস জুবায়ের রাহমান চৌধুরী ৬৬টি হাই কোর্ট বেঞ্চের কার্যক্রম পুনর্গঠন

চিফ জাস্টিস জুবায়ের রাহমান চৌধুরী ১ জানুয়ারি একটি নোটিফিকেশন জারি করে হাই কোর্ট বিভাগের ৬৬টি বেঞ্চের কার্যপ্রণালী পুনর্গঠন করেন। সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ছুটি শেষ হয়ে আগামী রবিবার থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। পুনর্গঠনের ফলে আদালতগুলো ১০:৩০ টা থেকে মামলাসমূহ শোনাবে।

বেঞ্চগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে; এর মধ্যে ৩৩টি ডিভিশন বেঞ্চ, যেখানে দুইজন জাজ একসঙ্গে কাজ করবেন, আর বাকি ৩৩টি একক জাজের বেঞ্চ। এই কাঠামোগত পরিবর্তন আদালতের কাজের ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

নোটিফিকেশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রবিবার সকাল ১০:৩০ টা থেকে হাই কোর্টের সব বেঞ্চ তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবে। এই সময়সূচি সকল পক্ষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে এবং বিচার প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

বার্ষিক ছুটির পর আদালতের পুনরায় খোলার সঙ্গে সঙ্গে এই পুনর্গঠন প্রকাশিত হওয়ায় বিচারিক কার্যক্রমে দ্রুত স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আদালতের কর্মসূচি পুনরায় চালু হওয়ায় চলমান মামলাগুলোর শিডিউলও পুনরায় নির্ধারিত হবে।

চিফ জাস্টিস উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে শিগগিরই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিচার হবে। আন্তর্জাতিক আইনি প্রেক্ষাপটে এই তথ্যের উল্লেখ দেশের বিচারিক পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দৃষ্টিকোণ প্রদান করে।

সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ছুটি সাধারণত ডিসেম্বরের শেষের দিকে শুরু হয়ে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শেষ হয়। এই সময়ে আদালতগুলো প্রশাসনিক কাজ এবং বিচারিক রেকর্ডের আপডেটের জন্য বিরতি নেয়।

বেঞ্চের পুনর্গঠন চিফ জাস্টিসের অধিকারিক দায়িত্বের অংশ, যেখানে তিনি বিচারিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করেন। এই ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন সাধারণত মামলার পরিমাণ এবং জাজের কাজের চাপের ভিত্তিতে করা হয়।

পুনর্গঠনের ফলে দীর্ঘমেয়াদে বিচারিক প্রক্রিয়ার গতি বাড়বে এবং মামলাগুলোর সমাধান দ্রুত হবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তবে এটি সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট মামলায় প্রভাব ফেলবে কিনা তা সময়ই প্রকাশ করবে।

আইনি পেশাজীবীরা এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, স্পষ্ট শিডিউল এবং বেঞ্চের সঠিক বণ্টন আদালতের স্বচ্ছতা বাড়াবে। তারা আরও উল্লেখ করেছেন যে, পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম না থাকলে বিচারিক ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

কিছু আইনজীবী উল্লেখ করেছেন যে, পূর্বে বেঞ্চের অপ্রতুলতা ও জাজের অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে কিছু মামলায় বিলম্ব ঘটেছে। নতুন কাঠামো এই সমস্যাগুলো কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে বলে তারা আশাবাদী।

আসন্ন রবিবার থেকে হাই কোর্টের সব বেঞ্চ নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করবে এবং চলমান মামলাগুলোকে যথাসময়ে শোনাবে। আদালতগুলোতে উপস্থিত পক্ষগুলোকে সময়মতো উপস্থিত হতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিচারিক ব্যবস্থার এই পুনর্গঠন দেশের আইনি কাঠামোর স্থিতিশীলতা এবং কার্যকারিতা বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনগুলো বিচারিক প্রক্রিয়ার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

সামগ্রিকভাবে, চিফ জাস্টিসের এই সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের কার্যক্রমকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং দেশের আইনি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াবে। আদালতের পুনরায় খোলার সঙ্গে সঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments