23 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসুজনের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে ‘হ্যাঁ’‑‘না’ ভোটের স্পষ্টতা দাবি

সুজনের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে ‘হ্যাঁ’‑‘না’ ভোটের স্পষ্টতা দাবি

ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে শনিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার রাজনৈতিক দলগুলোকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’‑‘না’ ভোটের অবস্থান স্পষ্টভাবে ইশতেহারে উল্লেখ করতে আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বললেন, ভোটারদের কাছে দলগুলোর অঙ্গীকার পরিষ্কার না হলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বদিউল আলম মজুমদার উল্লেখ করেন, যদিও বেশিরভাগ দলই জুলাই মাসে জাতীয় সনদে সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবু এই প্রতিশ্রুতি ইশতেহারে লিখিত রূপে না থাকলে তা কার্যকর হয় না। তিনি দাবি করেন, ইশতেহারকে ভোটার ও দলগুলোর মধ্যে লিখিত চুক্তি হিসেবে গণ্য করা উচিত, যাতে অমান্য হলে নাগরিকরা আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই যথেষ্ট নয়; দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলগুলোকে আইন মেনে চলা, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতিবার নির্ভরযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

বদিউল আলম মজুমদার অতীত নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের সম্পদ বৃদ্ধির দিকে ইঙ্গিত করে, ক্ষমতাকে ‘জাদুর কাঠি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের উচিত ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত আর্থিক সুবিধা সীমিত করা এবং রাজনীতির ব্যবসায়ীকরণ বন্ধ করা, যাতে সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করা যায়।

ইশতেহারকে ভোটারদের সঙ্গে দলগুলোর চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করার his viewpoint emphasizes that any violation should give citizens the right to approach courts for redress. This perspective aims to create a mechanism where voters can question the extent of fulfillment of party promises.

বদিউল আলম মজুমদার উল্লেখ করেন, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগ ‘দিন বদলের সনদ’ নামে একটি ইশতেহার প্রকাশ করেছিল, তবে পরবর্তীতে দলটি সেই অঙ্গীকারগুলো ভুলে গেছে বলে তিনি সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, এমন অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন না হলে দলকে তার মাশুল দিতে হবে।

প্রেসক্লাবের আয়োজনকারী সুজনের সঙ্গে আলোচনা শেষে, বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত এমন ১৫টি বিষয়ের তালিকা উপস্থাপন করেন। তালিকায় জুলাই জাতীয় সনদ ও সংস্কার কমিশনের সুপারিশের স্পষ্ট অঙ্গীকার, রাষ্ট্রযন্ত্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান, এবং সংবিধানিক ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা অন্তর্ভুক্ত।

প্রস্তাবিত বিষয়গুলোতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, ভোটার তালিকা পরিষ্কার করা, এবং নির্বাচনী তহবিলের স্বচ্ছতা বজায় রাখা। এছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের আর্থিক স্বচ্ছতা প্রকাশ করতে এবং নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় কোনো অবৈধ আর্থিক লেনদেন না করতে বাধ্য করার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

বদিউল আলম মজুমদার এবং অংশগ্রহণকারী বিশ্লেষকরা একমত যে, ইশতেহারে স্পষ্ট ‘হ্যাঁ’‑‘না’ ভোটের অবস্থান না থাকলে ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে এবং ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা হ্রাস পাবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই দাবিগুলোকে রাজনৈতিক দলগুলো গ্রহণ করলে দেশের শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments