ঢাকা জেলার ২০টি পার্লামেন্টারি আসনের জন্য মনোনয়ন পত্রের যাচাই আজ সকাল দশটায় শুরু হয়েছে, নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মোট ২৩৮ জন প্রার্থীর পত্র সময়সীমা শেষ হওয়া সোমবারের মধ্যে দাখিল করা হয়, যা ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি। যাচাই কাজ তিনজন রিটার্নিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে তিনটি ভিন্ন অফিসে পরিচালিত হচ্ছে: ঢাকা ডিভিশনাল কমিশনারের অফিস, ঢাকা রিজিয়নাল ইলেকশন অফিসারের অফিস এবং ঢাকা জেলা কমিশনারের অফিস।
ইলেকশন কমিশন (ইসিসি) জানিয়েছে যে, দেশের অন্যান্য সব জেলায় স্ক্রুটিনি আগামীকাল শেষ হবে। রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল জানুয়ারি ৫ থেকে ৯ তারিখের মধ্যে দাখিল করা যাবে, এবং আপিলের নিষ্পত্তি জানুয়ারি ১৮ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা যদি তাদের নাম প্রত্যাহার করতে চান, তবে সর্বশেষ তারিখ জানুয়ারি ২০ নির্ধারিত, আর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ জানুয়ারি ২১-এ প্রকাশিত হবে।
প্রচারাভিযান জানুয়ারি ২২ থেকে শুরু হবে এবং ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত চলবে। এই সময়সূচি অনুসারে, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রচারমূলক কার্যক্রম পরিকল্পনা করছে।
ঢাকা-১ আসনে বিএনপি থেকে খন্দকার আবু আশফাক, জামায়াতে ইসলামী থেকে মোহাম্মদ নাজরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের ফারহাদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে নুরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি থেকে নাসির উদ্দিন মোল্লা এবং শ্রমিক পার্টি থেকে শেখ মো. আলী প্রার্থী হিসেবে নাম তালিকায় আছেন। এছাড়া অ্যান্টারা সেলিমা হুদা স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ঢাকা-২ আসনে বিএনপি থেকে আমানুল্লাহ আমান, জামায়াতে ইসলামী থেকে আবদুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে জাহিরুল ইসলাম মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
ঢাকা-৩-এ বিএনপি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জামায়াতে ইসলামী থেকে শাহিনুর ইসলাম, গণো সমিতি আন্দোলন থেকে বাচ্চু ভূঁইয়া এবং আরও তেরজন প্রার্থী পত্র জমা দিয়েছেন।
ঢাকা-৪-এ মোট আটজন প্রার্থী তালিকায় আছেন, যার মধ্যে বিএনপি থেকে তানভীর আহমেদ এবং জামায়াতে ইসলামী থেকে সৈয়দ জয়নুল আবেদিনের নাম রয়েছে।
ঢাকা-৫-এ ষোলোজন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন, আর ঢাকা-৬-এ বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন, জামায়াতে ইসলামী থেকে আবদুল মান্নান এবং অন্যান্য প্রার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত।
ঢাকা-৭-এ পনেরজন এবং ঢাকা-৯-এ চৌদ্দজন প্রার্থী তালিকায় আছেন।
ঢাকা-৮-এ বিএনপি থেকে মির্জা আব্বাস এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি থেকে নাসিরুদ্দিন পাতওয়ারি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
প্রতিটি আসনের প্রার্থীর তালিকা ইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা অনুসারে যাচাই করা হবে এবং পরবর্তী ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে উপস্থাপন করা হবে। এই প্রক্রিয়া দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।



