22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইরানের শীর্ষ উপদেষ্টা হস্তক্ষেপকারী হাতকে কেটে ফেলবেন, নিরাপত্তা লাল রেখা ঘোষণা

ইরানের শীর্ষ উপদেষ্টা হস্তক্ষেপকারী হাতকে কেটে ফেলবেন, নিরাপত্তা লাল রেখা ঘোষণা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা শুক্রবার (২ নভেম্বর) উল্লেখ করেছেন, কোনো বিদেশি শক্তি যদি ইরানের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করে, তবে তা দেশের সীমানা অতিক্রমের আগেই থামিয়ে দেওয়া হবে এবং তা অনুশোচনাপ্রসূতভাবে প্রত্যাখ্যান করা হবে। এই বক্তব্যের পেছনে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে, যা দেশের স্বায়ত্তশাসন রক্ষার জন্য কোনো আপসের সুযোগ রাখে না।

একই দিনে, প্রাক্তন পোস্টের রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি শামখানি ইরানের জনগণ কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের “উদ্ধার” নীতিকে ইতিমধ্যে জানে তা তুলে ধরেন। তিনি ইরাক, আফগানিস্তান এবং গাজা অঞ্চলের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলেন, এই দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ফলাফল ইরানিদের কাছে স্পষ্ট। ফলে, ইরানিরা কোনো বিদেশি ‘উদ্ধার’ পরিকল্পনাকে সহজে গ্রহণ করে না, বরং তা সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখে।

শামখানির মন্তব্যের আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের গুলি ও সহিংসতা ঘটলে ওয়াশিংটন হস্তক্ষেপ করবে বলে ইঙ্গিত দেন। ট্রাম্পের এই সতর্কতা ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনার নতুন মোড় এনে দেয়। ট্রাম্পের বক্তব্যের পর শামখানি তীব্রভাবে জোর দেন, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কোনো লাল রেখা নয়, বরং তা অযথা ঝুঁকি নেওয়ার জন্য একটি নিষিদ্ধ ক্ষেত্র। তিনি যুক্তি দেন, ইরানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে অযথা ঝুঁকি নেওয়া দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় স্তরে অনুপযুক্ত।

উল্লেখযোগ্য যে, শামখানির এই মন্তব্যগুলো ইরানের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা নীতি এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রতি শূন্য সহনশীলতা প্রকাশ করে। তিনি ইরানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে “লাল রেখা” হিসেবে চিহ্নিত করে, যা কোনো দেশের জন্যই অতিক্রমযোগ্য নয়। এই অবস্থান ইরানের কূটনৈতিক ও কৌশলগত পরিকল্পনায় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়, যেখানে দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, শামখানি ও উপদেষ্টার এই উক্তিগুলো ইরানের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের প্রতি ইরানের কঠোর রেজিমের প্রতিক্রিয়া, পারস্পরিক বিশ্বাসের ঘাটতি বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবে ইরানের সরকার এখনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে সংলাপের দরজা খোলা রাখে, যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল বিষয়গুলোতে কোনো আপসের ইঙ্গিত দেয় না।

সারসংক্ষেপে, ইরানের শীর্ষ উপদেষ্টা ও শামখানি একত্রে স্পষ্ট করে বলেছেন যে, কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপকারী শক্তি যদি ইরানের সীমানা অতিক্রমের চেষ্টা করে, তবে তা কঠোরভাবে থামিয়ে দেওয়া হবে এবং ইরানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত লাল রেখা অতিক্রম করা যাবে না। এই অবস্থান ইরানের কূটনৈতিক নীতি ও নিরাপত্তা কৌশলের মূল দিককে পুনরায় নির্ধারণ করে, যা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গতিপথকে প্রভাবিত করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments