কক্সবাজার-২ (মহেশখালী ও কুতুবদিয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্র কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান ২ জানুয়ারি বিকেল পাঁচটায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিলের ঘোষণা দেন।
বাতিলের কারণ হিসেবে মামলা-সংক্রান্ত জটিলতা উল্লেখ করা হয়েছে; প্রথমে মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয় এবং পরে কাগজপত্র ও মামলার বিশদ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আপিলের অনুমোদন পেলে বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে।
কক্সবাজার-২ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন; তাদের মধ্যে জামায়াতের আযাদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মাওলার পত্র বাতিলের শিকার হয়েছে।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি), জিয়াউল হক (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), ওবাইদুল কাদের নদভী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), এস এম বোকনুজ্জামান খান (গণঅধিকার পরিষদ) এবং মোহাম্মদ মাহমুদুল করিম (জাতীয় পার্টি)।
হামিদুর রহমান আযাদ ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই কক্সবাজার-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত ছিলেন; তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় পূর্বের নির্বাচনী সাফল্য পুনরায় মূল্যায়নের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের আপিল প্রক্রিয়া অনুযায়ী, আপিলকারীকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট দল বা প্রার্থীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করতে হবে। আপিল গ্রহণের পর কমিশন বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।
বাতিলের ফলে কক্সবাজার-২ আসনে ভোটারদের কাছে নতুন বিকল্প উপস্থিত হয়েছে; অন্যান্য পাঁচজন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে ভোটারদের পছন্দের দিক পরিবর্তিত হতে পারে এবং প্রতিটি দল তাদের প্রচারণা কৌশল পুনর্বিবেচনা করছে।
অবশেষে, এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক প্রভাব কক্সবাজারের স্থানীয় গঠন ও জাতীয় পর্যায়ের পার্টি সমন্বয়ে প্রভাব ফেলবে; জামায়াতের দলীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে এই বাতিলের পরবর্তী পদক্ষেপের প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আর অন্যান্য দলগুলো তাদের প্রার্থীদের সমর্থন বাড়াতে অতিরিক্ত প্রচার চালাবে।



