22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতরিক রহমান গুলশান আজাদ মসজিদে খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত

তরিক রহমান গুলশান আজাদ মসজিদে খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত

গুলশান আজাদ মসজিদে আজ বিকেল চারটায় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তরিক রহমান উপস্থিত হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পার্টি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন দেখেছেন। তিনি পার্টির উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে মসজিদে প্রবেশ করেন, যা পার্টির শোকস্মরণীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

তরিকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা, যারা সমবেতভাবে শোকের মুহূর্তে অংশগ্রহণ করেন। মসজিদে প্রবেশের সময়সূচি প্রায় চারটায় নির্ধারিত ছিল, এবং উপস্থিতির পর তারা একত্রে দোয়া পাঠ করেন। এই সমাবেশটি পার্টির ভেতরে ঐক্যবদ্ধতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

দোয়া অনুষ্ঠানের আগে তরিক রহমান গুলশানের অন্য একটি মসজিদে জুমা নামাজে অংশ নেন। জুমা নামাজের পর তিনি সরাসরি আজাদ মসজিদে গিয়ে শোকস্মরণীর জন্য প্রস্তুতি নেন। এই ধারাবাহিকতা তার পার্টির শোকপ্রকাশে সক্রিয় ভূমিকা নির্দেশ করে।

খালেদা জিয়া গত মঙ্গলবার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকা-তে চিকিৎসা গ্রহণের সময় মারা যান। তিনি দেশের দুইটি প্রধান রাজনৈতিক দল, বিএনপি ও আওয়ামী লীগে দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যুর পর দেশব্যাপী শোকের পরিবেশ গড়ে ওঠে, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী থেকে সমবেত শোক প্রকাশ পায়।

আজকের দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে পার্টির সদস্য, সমর্থক এবং পারিবারিক সদস্যরা একত্রিত হয়েছেন। অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে পার্টির শোকপ্রকাশের মিশ্রণ ঘটায়, যেখানে উপস্থিত সবাই একসাথে দোয়া পাঠ করেন এবং খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করেন।

বিএনপি’র জন্য এই সমাবেশটি কেবল শোকের প্রকাশ নয়, বরং পার্টির সংগঠনের দৃঢ়তা ও ঐক্যের প্রতীক। তরিকের উপস্থিতি ও উচ্চপদস্থ নেতাদের সমর্থন পার্টির ভিতরে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

অবশ্যই, বিরোধী দল আওয়ামী লীগও এই ঘটনার প্রতি মন্তব্য করে। সরকারী সূত্র থেকে জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পার্টি এই শোকের মুহূর্তে দেশের শান্তি ও সংহতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সকল রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে একসাথে শোক প্রকাশে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপি’র নেতৃত্বের কাঠামো পুনর্গঠন ও নতুন কৌশল নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা বাড়বে। তরিকের সক্রিয় উপস্থিতি পার্টির ভেতরে নতুন নেতৃত্বের স্বীকৃতি বাড়াতে পারে এবং সমর্থকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগাতে পারে।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন এই ধরনের শোকস্মরণী পার্টির সংগঠনের শক্তি পরীক্ষা করে। তরিকের উপস্থিতি ও শোকের আচার-অনুষ্ঠানগুলো ভোটারদের কাছে পার্টির মানবিক দিক তুলে ধরতে সহায়তা করতে পারে, যা ভোটার ভিত্তি সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিএনপি’র অভ্যন্তরে তরিকের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পার্টির তরুণ নেতাদের ভূমিকা ও দায়িত্বের পুনর্বিবেচনা দেখা যাবে। শোকের সময়ে পার্টির উচ্চপদস্থ নেতাদের সমবেত উপস্থিতি ভবিষ্যতে দলীয় নীতি ও কৌশল নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।

জনসাধারণের দৃষ্টিকোণ থেকে, খালেদা জিয়ার শোকস্মরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও দোয়া পার্টির সমর্থকদের মধ্যে সংহতি ও সম্মানের অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছে। মসজিদে একত্রিত হওয়া মানুষজনের সংখ্যা ও তাদের আচরণ পার্টির জনপ্রিয়তা ও সামাজিক প্রভাবের সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, তরিক রহমানের গুলশান আজাদ মসজিদে উপস্থিতি এবং খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া অনুষ্ঠানটি রাজনৈতিক ও সামাজিক উভয় দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। এটি পার্টির শোকপ্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও জনমত গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments