২ জানুয়ারি শুক্রবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালস, ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত করে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করা ঢাকা, ১৯ ওভার ৪ বলের মধ্যে ১২২ রানে অলআউট হয়ে শেষ হয়।
ঢাকা ক্যাপিটালস টস হারে, তাই প্রথমে ব্যাটিং করতে বাধ্য হয়। শুরুর দিকে শারিফুল ইসলামের তীব্র গতি ও সঠিক লাইন-লেংথে দলটি দ্রুত সংকটে পড়ে, ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারায়।
বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে ঢাকা আটম ও নয়ম উইকেটের জুটিতে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও নাসির হোসেন ৪৮ রানের স্থিতিশীল অংশীদারিত্ব গড়ে তোলেন। এই জুটি দলকে একশো পেরিয়ে যেতে সাহায্য করে, তবে পরবর্তী ওভারগুলোতে ধারাবাহিক আউট হয়ে ১৯ ওভার ৪ বলের মধ্যে ১২২ রানে শেষ হয়।
ঢাকার সর্বোচ্চ স্কোর ৩৩ রানে সাইফউদ্দিনের, আর নাসির হোসেন ১৭ রানে অবদান রাখেন। শারিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম প্রত্যেকে তিনটি করে উইকেট নেন, যা দলের পতনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের শিকড়ে উঠে আসে ওপেনার অ্যাডাম রাশিংটন ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ। দুজনই ফিফটি পার করে, তবে রাশিংটন ৩৬ বলে ৯টি চার ও ২টি ছয় দিয়ে ৬০ রান করেন, আর নাঈম ৪০ বলে ৭টি চার ও ১টি ছয় দিয়ে ৫৬ রান যোগ করেন।
দলটি লক্ষ্য ১২৩ রানে ছোট করে নিতে কোনো চাপ নেয় না, শুরুর থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় ঢাকার বোলারদের মুখোমুখি হয়। উভয় ওপেনারই কোনো উইকেট না পেয়ে ধারাবাহিকভাবে স্কোর বাড়িয়ে দলকে নিরাপদে জয়ের পথে নিয়ে যায়।
রাশিংটনের দ্রুত গতি ও নাঈমের স্থিতিশীলতা মিলিয়ে ১২৩ রানের অটুট জুটি গড়ে ওঠে, যা চট্টগ্রামকে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। উভয় খেলোয়াড়ই অপরাজিত থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠে উপস্থিত থাকেন।
এই জয় চট্টগ্রাম রয়্যালসের দ্বিতীয় বিজয় হিসেবে রেকর্ডে যুক্ত হয়, যা দলকে টুর্নামেন্টের শীর্ষে উঠতে সহায়তা করবে। পরবর্তী ম্যাচে দলটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, তবে এই জয়ের আত্মবিশ্বাস তাদের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



