ব্যান্ড বাজা বারা, রানবীর সিংয়ের চলচ্চিত্র জগতের প্রথম পদক্ষেপ, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬-এ পিভিআর ইনক্সের স্ক্রিনে পুনরায় প্রদর্শিত হবে। এই পুনঃপ্রদর্শনটি ইয়াশ রাজ ফিল্মসের সঙ্গে যৌথভাবে সংগঠিত, এবং মূল মুক্তির ১৫ বছর পরের এই উদ্যোগটি সিনেমা প্রেমীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। পুনরায় বড় পর্দায় ছবিটি দেখা দর্শকদের জন্য পুরনো স্মৃতি ও নতুন অভিজ্ঞতার সংযোগ ঘটাবে।
ফিল্মটি প্রথমবার ১০ ডিসেম্বর ২০১০-এ দিল্লির ব্যস্ত শাদী বাজারের পটভূমিতে মুক্তি পায়। মণীশ শর্মার পরিচালনায় তৈরি, এতে রানবীর সিং এবং অনুশকা শর্মা প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন, এবং তাদের রসাত্মক পারস্পরিক ক্রিয়া দর্শকদের মুগ্ধ করে। ইয়াশ রাজ ফিল্মসের উৎপাদন এই ছবিকে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা এনে দেয়, এবং মুক্তির পরের প্রথম সপ্তাহে এটি বক্স অফিসে শীর্ষে উঠে আসে।
ব্যান্ড বাজা বারা তার সময়ের রোম্যান্স ও বন্ধুত্বের ধারণাকে দিল্লির শাদী সংস্কৃতির জীবন্ত চিত্রের মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপন করে। ছবির কাহিনী উদ্যোক্তা মনোভাব, স্বপ্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের বাস্তব চ্যালেঞ্জকে সংযুক্ত করে, যা দর্শকদের সঙ্গে গভীর সংযোগ গড়ে তোলে। মণীশ শর্মার সূক্ষ্ম পরিচালনা এবং দুই প্রধান চরিত্রের স্বাভাবিক অভিনয় শৈলী ছবিটিকে স্বতন্ত্র রঙ দেয়।
সঙ্গীত, হাস্যরস এবং স্বাভাবিক কথোপকথনের মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি আধুনিক বলিউডের রোম-কমের ধারা পরিবর্তন করে। শাদীর রঙিন পটভূমি কেবল পটভূমি নয়, বরং সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার একটি জটিল নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করে, যা প্রেমের বিকাশে সমতা ও পারস্পরিক সমঝোতার ভূমিকা তুলে ধরে। ছবির গানগুলো, বিশেষ করে ‘সোফা’ ও ‘সোফা (রিমিক্স)’, তরুণদের প্লেলিস্টে আজও ঘুরে বেড়ায়।
প্রকাশের পর থেকে ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা ও দর্শকদের উচ্ছ্বাস উভয়ই পেয়েছে। তরুণদের মধ্যে স্বপ্ন অনুসরণ এবং বন্ধুত্বের মূল্যবোধকে উজ্জ্বল করে তোলার জন্য এটি একটি সাংস্কৃতিক মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। বহু পুরস্কার ও নামাজে স্বীকৃতি পেয়ে, ছবিটি বলিউডের রোম্যান্স জঁরে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
পিভিআর ইনক্স এবং ইয়াশ রাজ ফিল্মসের সহযোগিতায় এই পুনঃপ্রদর্শনটি দেশের প্রধান শহরগুলোর আধুনিক থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হবে। পুনরায় বড় পর্দায় ছবিটি দেখার সুযোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের দর্শকরা ২০১০ সালের মূল রসিকতা ও বার্তা উপভোগ করতে পারবে। সামাজিক মিডিয়ায় বিশেষ হ্যাশট্যাগ চালু করে তরুণ দর্শকদের আকৃষ্ট করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
পুনঃপ্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত তারিখ ১৬ জানুয়ারি, যা নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহে সিনেমা হলের চাহিদা বাড়ানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এই সময়ে চলচ্চিত্রটি পিভিআর ইনক্সের বহু শাখায় একইসঙ্গে প্রদর্শিত হবে, যাতে বিস্তৃত দর্শকগোষ্ঠীকে আকৃষ্ট করা যায়। কিছু থিয়েটারে প্রি-শোতে মূল সাউন্ডট্র্যাকের লাইভ পারফরম্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পিভিআর ইনক্সের লিড স্ট্র্যাটেজিস্ট নিহারিকা বিজলি উল্লেখ করেছেন, এই ছবি তার মুগ্ধতা কখনো হারায় না এবং যেকোনো সময়ে দেখলে তা সমসাময়িক জীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বলেন, পুনঃপ্রদর্শনটি আধুনিক গল্প বলার ধারাকে সম্মান জানাতে এবং নতুন প্রজন্মকে এর সুর, হাস্য এবং বাস্তব পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আকৃষ্ট করতে উদ্যোগ। ছবির সময়হীন সঙ্গীত ও তীক্ষ্ণ হাস্যরসকে তিনি পুনরায় বড় পর্দায় উপস্থাপন করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
চলচ্চিত্রের সঙ্গীত ও হাস্যরসের চিরন্তন আকর্ষণ, পাশাপাশি বন্ধুত্ব ও স্বপ্নের থিম, আজকের তরুণ দর্শকদের সঙ্গে এখনও সঙ্গতিপূর্ণ। বড়



