22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসা২ জানুয়ারি ঢাকা শহরে গ্যাসের চাপ কমে ১০ ঘণ্টা, বহু এলাকায় সরবরাহে...

২ জানুয়ারি ঢাকা শহরে গ্যাসের চাপ কমে ১০ ঘণ্টা, বহু এলাকায় সরবরাহে সীমাবদ্ধতা

ঢাকা শহরে ২ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কমে যাবে, কারণ তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জরুরি পুনর্বাসন কাজের জন্য কিছু প্রধান পাইপলাইন বন্ধ করবে। এই কাজটি ডেমরা সিজিএস থেকে তেজগাঁও টিবিএস গামী পাইপলাইনের প্রায় ৫৮০ ফুট অংশে মানিকদিয়ায় উন্মুক্ত হয়ে পড়ার ফলে জরুরি ভিত্তিতে করা হচ্ছে।

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, তেজগাঁও, নন্দীপাড়া, বাসাবো, খিলগাঁও, বনশ্রী, রামপুরা ব্রিজ থেকে মালিবাগ চৌধুরীপাড়া, মুগদা, মান্ডা, মানিকনগর (ধলপুর), শাহজাহানপুর এবং গোপীবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় প্রভাব ফেলবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহে স্বল্পচাপ দেখা যাবে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এই সময়কালে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং পুনর্বাসন কাজ শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিক চাপ পুনরুদ্ধার হবে বলে জানিয়েছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া সময়ে গৃহস্থালী ও বাণিজ্যিক গ্রাহকরা গ্যাস ব্যবহার সীমিত করতে বাধ্য হবে, বিশেষ করে রান্না ও গরম পানির সরবরাহে প্রভাব পড়বে।

বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে, গ্যাসের স্বল্পচাপের ফলে রেস্তোরাঁ, হোটেল ও ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ও সেবা ব্যাহত হতে পারে। এই সময়ে গ্যাস-চালিত কুকার ও হিটার ব্যবহার কমিয়ে বিকল্প জ্বালানি, যেমন ইলেকট্রিক হিটার বা কেটল ব্যবহার বাড়তে পারে, যা বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধি করতে পারে।

শক্তি বাজারে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া সাময়িকভাবে গ্যাসের চাহিদা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়, যদিও দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। তিতাস গ্যাসের জন্য এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলে ভবিষ্যতে লিক ও সিস্টেম ব্যর্থতা কমে যাবে, যা গ্রাহকের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হবে।

বাজারে গ্যাসের স্বল্পচাপের ফলে গ্যাস বিক্রয় থেকে তিতাস গ্যাসের আয় সাময়িকভাবে হ্রাস পেতে পারে, তবে পুনর্বাসন কাজের সময়কালে গ্রাহকদের বিলম্বিত পেমেন্ট বা রিবেটের ব্যবস্থা করা হলে গ্রাহক সন্তুষ্টি বজায় রাখা সম্ভব।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া সময়ে গৃহস্থালী ও ব্যবসায়িক খাতের উৎপাদনশীলতা সাময়িকভাবে হ্রাস পেতে পারে, যা মোট দেশীয় উৎপাদনে ক্ষুদ্র প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এই প্রভাব সীমিত সময়ের জন্য এবং নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ, তাই সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

গ্যাস সরবরাহের স্বল্পচাপের ফলে গ্রাহকদের বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার বাড়তে পারে, যা ইলেকট্রিক গ্যাস রেঞ্জ ও হিটারের চাহিদা বাড়াবে। এই পরিবর্তন বিদ্যুৎ সংস্থার জন্য অতিরিক্ত লোডের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময়ে।

তিতাস গ্যাসের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের সময়ে গ্রাহকদের জানানো হয়েছে যে, গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পর সরবরাহ পুনরায় পূর্ণ হবে। এই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের মাধ্যমে পাইপলাইন নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়।

বাজার বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, গ্যাসের স্বল্পচাপের ফলে গ্রাহকদের অস্থায়ীভাবে গ্যাসের উপর নির্ভরতা কমে যাবে, তবে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পর গ্যাসের চাহিদা দ্রুত পুনরুদ্ধার হবে। তাই গ্যাস কোম্পানিগুলোর জন্য এই সময়ে গ্রাহক সেবা ও যোগাযোগের গুরুত্ব বাড়বে।

সামগ্রিকভাবে, ২ জানুয়ারি গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া একটি জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ, যা গ্যাস নেটওয়ার্কের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সহায়ক। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধা স্বীকার করে, তিতাস গ্যাস দ্রুত পুনরুদ্ধার ও স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments