দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত এসএ টোয়েন্টি চতুর্থ ম্যাচে সুপার কিংস ২০ ওভারে ২০৫ রান করে ৪ উইকেটের সঙ্গে লক্ষ্য অতিক্রম করে। একই সংখ্যার স্কোরে সুপার জায়ান্টস ২০ ওভারে ২০৫ রান করে ৮ উইকেট নেয়, ফলে সুপার কিংস ৪ উইকেটের পার্থক্যে জয়লাভ করে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সুপার ওভারের দায়িত্বে ইংলিশ পেসার রিচার্ড গ্লিসনের পারফরম্যান্স দলকে জয় নিশ্চিত করে।
গ্লিসন মূল ইনিংসে ৪১ রান ও ৩ উইকেটের সঙ্গে দলের সেরা বোলার ছিলেন, তবে ম্যাচের সেরা পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ডনোভান ফেরেইরাকে দেয়া হয়। ফেরেইরা ১০ balls-এ ৩৩ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে চারটি ছক্কা ও একটি চার রয়েছে, যা দলের স্কোরকে দুইশের ঊর্ধ্বে নিয়ে যায়। তিনি ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে হাইনরিখ ক্লসেনের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন এবং গ্লাভস হাতে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচও করেন।
সুপার কিংসের ব্যাটিংয়ে শুভাম রাঞ্জানে ৩১ বলে ৫০ রান করেন, যার মধ্যে চারটি চার ও দুইটি ছক্কা রয়েছে, ফলে তিনি দলের সর্বোচ্চ স্কোরার হয়ে ওঠেন। ক্যাপ্টেন ফাফ দু প্লেসি ৪৭ বলে ৩০ রান যোগ করেন, যা স্থিতিশীলতা প্রদান করে। সুপার জায়ান্টসের ক্যাপ্টেন এডেন মার্করাম ও ইভান জোন্সের আক্রমণাত্মক খেলা ৬১ রান ও ৩ উইকেটের মাধ্যমে দলকে আশাবাদী করে তুলেছিল, তবে শেষের সাত ওভারে ৯৫ রান দরকারি সমীকরণ তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
মার্করাম ৩০ বলে ৩৭ রান করে ৩য় ওভারে আউট হন, আর জোন্স ১৯তম ওভারে ১৭ বলে ৪৩ রান করে আউট হন। গ্লিসন পরবর্তী ওভারে ডেভিড ভিসাকে মাত্র চার রান দিয়ে সীমাবদ্ধ রাখেন, যা সুপার জায়ান্টসের স্কোর বাড়তে বাধা দেয়।
সুপার ওভারে সুপার জায়ান্টসকে মাত্র ১৫ রান দরকার ছিল। পেসিং অলরাউন্ডার মুল্ডার প্রথম বলেই এক রান দেন, এরপর ইথান বশের ছক্কা দিয়ে দুই রান বাড়ে। তৃতীয় বলেও এক রান হয়, চতুর্থ বল ডট থাকে। পরবর্তী দুটি বলই ওয়াইড হয়ে দলকে অতিরিক্ত দুই রান দেয়। পঞ্চম বলেই সাইমন হার্মার চারটি রান করে স্কোর সমান করেন, ফলে সুপার কিংসের জয় নিশ্চিত হয়।
এই জয় সুপার কিংসের জন্য লিগের শুরুর পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এনে দেয়, আর সুপার জায়ান্টসকে তাদের শিকড় থেকে পুনরায় গড়ে তুলতে হবে। পরবর্তী ম্যাচে দু’দলই তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করে শীর্ষে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।



