বৃহস্পতিবার, সোমালিয়ার দক্ষিণ-পূর্বের জাবাদ গোদান শহরে সামরিক বিমান হামলায় আল-শাবাবের অন্তত ২৯ যোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন। হামলাটি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়েছে।
সামরিক বাহিনী রাতভর চালিত এই আকাশীয় আক্রমণটি গোদানের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকায় কেন্দ্রীভূত ছিল, যেখানে গোষ্ঠীটি সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র ও সরবরাহের জন্য গোপন গুদাম স্থাপন করেছিল বলে জানা যায়। বিমানগুলো লক্ষ্যবস্তু এলাকায় সুনির্দিষ্টভাবে নিক্ষেপ করে গুলিবিদ্ধ করে, ফলে শাবাবের গাড়ি ও অস্ত্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে।
আল-শাবাব ২০০৭ সাল থেকে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে এবং কঠোর শারিয়াহ ব্যাখ্যার ভিত্তিতে নিজস্ব শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। গোষ্ঠীটি আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত সরকারকে উৎখাত করে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, রাতের আকাশীয় অভিযানটি শাবাবের গাড়ি, ট্যাঙ্ক এবং স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুদাম ধ্বংস করেছে, যা বেসামরিক জনগণের ওপর সন্ত্রাসী হামলার জন্য ব্যবহৃত হতে পারত। মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে যে, এই ধ্বংসাত্মক কাজের ফলে শাবাবের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং ভবিষ্যৎ সন্ত্রাসী পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নিরাপত্তা সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অভিযান পরিচালনায় অব্যাহত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। যদিও কোন দেশ বা সংস্থা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়নি, তবে এই ধরণের সমন্বিত আক্রমণ সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার সমর্থন পায়।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সোমালিয়ার সমুদ্রপথে অবৈধ মৎস্য শিকার, মানব পাচার এবং সন্ত্রাসী তহবিল সংগ্রহ



