20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজেলেনস্কি নতুন বছরের ভাষণে শান্তি চুক্তি ৯০% প্রস্তুত জানান

জেলেনস্কি নতুন বছরের ভাষণে শান্তি চুক্তি ৯০% প্রস্তুত জানান

উক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি ১ জানুয়ারি তার জাতীয় নতুন বছরের ভাষণে জানিয়েছেন যে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য প্রস্তুত শান্তি চুক্তির প্রায় নব্বই শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে বাকি দশ শতাংশের ফলাফলই ইউরোপ ও ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

একই সময়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সৈন্যদের উদ্দেশ্যে নতুন বছরের বার্তায় বলেছিলেন, “আমরা তোমাদের ওপর আস্থা রাখি এবং আমাদের বিজয় নিশ্চিত।” এই বক্তব্য রাশিয়ার সামরিক মনোবল জোরদার করার লক্ষ্যে দেওয়া হয়।

মস্কো সরকার একই দিনে একটি ভিডিও এবং মানচিত্র প্রকাশ করে দাবি করে যে উক্রেনের ড্রোনগুলো রাশিয়ার নর্দার্ন ওয়েস্টে অবস্থিত লেক ভালদাইয়ের পুতিনের ব্যক্তিগত বাড়ি লক্ষ্যবস্তু করে আক্রমণ করেছে। ভিডিওতে তুষারময় বনে একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়, আর একটি সৈন্যের মন্তব্যে বলা হয়েছে যে এটি উক্রেনের চাকলুন ড্রোন। মানচিত্রে ড্রোনের উৎক্ষেপণ স্থান হিসেবে উক্রেনের সুমি ও চেরনিগিভ অঞ্চল উল্লেখ করা হয়েছে।

রাশিয়া এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শান্তি আলোচনার বর্তমান অবস্থান পুনর্বিবেচনা করবে বলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র জানিয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কাল্লাস এই রাশিয়ার দাবিকে “সচেতনভাবে আলোচনাকে ব্যাহত করার প্রচেষ্টা” হিসেবে চিহ্নিত করে, যা শান্তি প্রক্রিয়াকে ধীর করার উদ্দেশ্য বহন করে।

জেলেনস্কি তার ২০ মিনিটের জাতীয় ভাষণে জোর দিয়ে বলেছেন যে উক্রেন কোনো শর্তে শান্তি চুক্তি স্বীকার করবে না যদি তা দেশের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি করে। তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধের সমাপ্তি চাই, না যে ইউক্রেনের অস্তিত্ব শেষ হয়।” এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন যে যদি উক্রেন ডোনবাসের পূর্বাঞ্চল থেকে প্রত্যাহার করে, তবে যুদ্ধের সমাপ্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটবে, যা রাশিয়ার সর্বোচ্চ দাবি—ডোনবাসের পুরো নিয়ন্ত্রণ—কে নির্দেশ করে।

বর্তমানে রাশিয়া ডোনেটস্ক অঞ্চলের প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং লুহানস্কের প্রায় ৯৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। ডোনবাসের ভবিষ্যৎ আলোচনার সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি এখনও অটল রয়েছে, এবং এই অবস্থান শান্তি প্রক্রিয়ায় বড় অমিল সৃষ্টি করে চলেছে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন যে রাশিয়ার ড্রোন আক্রমণের অভিযোগ এবং ইউরোপের সতর্কতা উভয়ই শান্তি আলোচনার গতিপথে নতুন জটিলতা যোগ করেছে। পরবর্তী ধাপে উভয় পক্ষের উচ্চপদস্থ নেতাদের পুনরায় মিটিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে ডোনবাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাশিয়ার কঠোর অবস্থান এবং উক্রেনের স্বায়ত্তশাসন সংরক্ষণের ইচ্ছা আলোচনার ফলাফলকে নির্ধারণ করবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments