অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড ১ জানুয়ারি ২০২৬-এ আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া T‑২০ বিশ্বকাপের জন্য প্রাথমিক স্কোয়াড প্রকাশ করেছে। দল গঠন করার সময় ভারত ও শ্রীলঙ্কার পিচ কন্ডিশনকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে, কারণ দুই দেশের পিচে ধীর গতি ও ঘূর্ণায়মান বোলিংকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্কোয়াডে স্পিনের বিভিন্ন ধরণ—লেগ, বামহাতি ও অফ‑স্পিন—সমন্বিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে প্রতিপক্ষের ব্যাটিংকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।
প্রধান স্পিনার হিসেবে অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার অ্যাডাম জ্যাম্পা স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত। তার পাশে বামহাতি স্পিনার ম্যাথু কুনেমান রয়েছে, যাকে দলের স্পিন বিকল্পের মূল স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড স্পিনের বহুমুখিতা বাড়াতে কোপার কনোলিকে স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন, যাকে পুরোপুরি স্পিন বোলার হিসেবে গণ্য করা যায়।
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাথু শর্টের মতো স্পিনিং অলরাউন্ডারদেরও স্কোয়াডে স্থান পেয়েছে। তাদের উপস্থিতি দলকে লেগ, বামহাতি ও অফ‑স্পিনের সমন্বয় প্রদান করে, ফলে কোনো স্পিনের ফাঁক রয়ে যায় না। এই সমন্বয় বিশেষ করে ভারত ও শ্রীলঙ্কার ধীর পিচে প্রতিপক্ষের ব্যাটিংকে দমিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ বলে কোচ উল্লেখ করেছেন।
প্রকাশিত দলকে ‘প্রাথমিক’ স্কোয়াড বলা হয়েছে, এবং ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই খেলোয়াড় পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বাস্তবে চোট ছাড়া পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম, কারণ কোচের মতে বড় পারফরম্যান্স না দেখালে নতুন খেলোয়াড়ের সুযোগ সীমিত থাকবে। তাই স্কোয়াডের মূল গঠন বেশ স্থিতিশীল বলে অনুমান করা হচ্ছে।
স্কোয়াডে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় বর্তমানে আঘাতের কারণে মাঠের বাইরে রয়েছেন: প্যাট কুমিন্স, জশ হ্যাজেলউড এবং টিম ডেভিড। কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই তিনজনের ফিটনেস নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা স্কোয়াডে থাকবে, এবং শেষ সিদ্ধান্ত ৩১ জানুয়ারির কাছাকাছি নেওয়া হবে। আঘাতজনিত অনিশ্চয়তা দলকে প্রস্তুতিতে কিছুটা চাপের মধ্যে রাখলেও, কোচের পরিকল্পনা স্পষ্ট।
এই তিনজনের মধ্যে হ্যাজেলউডের অবস্থা তুলনামূলকভাবে ভাল। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শেফিল্ড শ



