আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বুধবার টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ১৫ খেলোয়াড়ের দল প্রকাশ করেছে এবং রশিদ খানকে অধিনায়ক হিসেবে নির্ধারণ করেছে। টুর্নামেন্টটি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে ফেব্রুয়ারি-ই মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে।
দুই মাস আগে বাংলাদেশ বিরোধী সাদা বলের সিরিজে বাদ পড়া পেসার ফাজালহক ফারুকি এবং অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইবকে এবার বিশ্বকাপের জন্য ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে পেসার নাভিন উল হাকও দলে ফিরে এসেছে; তিনি শেষবার ডিসেম্বর মাসে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে টি২০তে জাতীয় দলে খেলেছিলেন।
অফস্পিনার মুজিব উর রহমানকে কল করা হয়েছে, আর রহস্য স্পিনার এএম গাজানফার রিজার্ভে স্থান পেয়েছেন। রিজার্ভে আরও যোগ হয়েছে ইজাজ আহমাদজাই ও জিয়া উর রহমান শারিফি। এই পরিবর্তনগুলো দলকে বিভিন্ন শর্তে সমন্বয় করার সুযোগ দেবে।
২০২৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপে আফগান দল সেমি-ফাইনালে পৌঁছে তাদের সর্বোচ্চ আইসিসি সাফল্য অর্জন করেছিল, যেখানে তারা নিউ জিল্যান্ডের হাতে পরাজিত হয়। পূর্বের টুর্নামেন্টে তারা নিউ জিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশসহ শক্তিশালী দলকে পরাজিত করেছে।
আফগানিস্তান ৮ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ দিয়ে এই টুর্নামেন্টে প্রবেশ করবে। দলটি ডি গ্রুপে থাকবে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডা তাদের প্রতিপক্ষ। গ্রুপের প্রতিটি ম্যাচের ফলাফল টুর্নামেন্টের অগ্রগতি নির্ধারণ করবে।
বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি হিসেবে, একই দলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিনটি টি২০ সিরিজ খেলা হবে। এই সিরিজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৯ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে, যা দলকে শারীরিক ও কৌশলগতভাবে তীক্ষ্ণ করবে।
দল গঠনের তালিকায় রশিদ খান (অধিনায়ক), ইব্রাহিম জাদরান, রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, মোহাম্মাদ ইশাক, সেদিকউল্লাহ আতাল, দারবিশ রাসুলি, শাহিদউল্লাহ কামাল, আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, গুলবাদিন নাইব, মোহাম্মাদ নাবি, নুর আহমাদ, মুজিব উর রহমান, নাভিন-উল-হাক, ফাজালহক ফারুকি ও আব্দুল্লাহ আহমাদজাই অন্তর্ভুক্ত।
রিজার্ভে আল্লাহ মোহাম্মাদ গাজানফার, ইজাজ আহমাদজাই এবং জিয়া উর রহমান শারিফি রয়েছেন, যারা প্রয়োজনে মূল দলে যোগ দিতে প্রস্তুত। এই রিজার্ভ খেলোয়াড়দের উপস্থিতি দলকে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সামঞ্জস্য করতে সহায়তা করবে।
সামগ্রিকভাবে, রশিদ খান নেতৃত্বে গঠিত এই দলটি টি২০ বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত, এবং পূর্বের সেমি-ফাইনাল অভিজ্ঞতা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। আসন্ন ম্যাচগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স কেমন হবে, তা সময়ই প্রকাশ করবে।



