27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিরাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি চুক্তি পথে, অঞ্চল ও পারমাণবিক কেন্দ্রের চ্যালেঞ্জ

রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি চুক্তি পথে, অঞ্চল ও পারমাণবিক কেন্দ্রের চ্যালেঞ্জ

রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা প্রায় চার বছর চলা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সংকেত দিয়েছেন, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে এখনও দু’টি কঠিন বিষয় বাকি রয়েছে।

ওয়াশিংটনের ২০‑পয়েন্টের পরিকল্পনায় সবচেয়ে জটিল দুইটি বিষয় হল দখলকৃত ভূখণ্ডের ভবিষ্যৎ এবং ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক কেন্দ্রের অবস্থান, যা বর্তমানে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র জানান, আলোচনাগুলি “চূড়ান্ত পর্যায়ে” পৌঁছেছে এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ৬ জানুয়ারি ফ্রান্সে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যেখানে চুক্তির মূল শর্তগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

ভ্লাদিমির পুতিন পুরো ডনবাস অঞ্চল পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বোচ্চ দাবি বজায় রেখেছেন, যদিও জেলেনস্কি একটি আংশিক সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছেন।

রাশিয়ান সেনাবাহিনী বর্তমানে লুহানস্কের বেশিরভাগ অংশ এবং ডোনেটস্কের প্রায় ৭৫ শতাংশ দখল করেছে; পুতিন স্লোভিয়ান্সক ও ক্রামাটোরস্কের মতো “কোটা শহর”সহ পুরো অঞ্চল পুনরায় নিজের হাতে নিতে চান।

জেলেনস্কি উল্লেখ করেন, আইনগত বাধ্যবাধকতা এবং ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষের নিরাপত্তা বিবেচনা করে তারা স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করতে পারবে না, কারণ সেখানকার ৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ তাদের অধিক্ষেত্রের মধ্যে বসবাস করে।

তার প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে উভয় পক্ষের সৈন্যবাহিনীর সমান দূরত্বে প্রত্যাহার, যাতে একটি নিরস্ত্র বা মুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করা যায়, যা ইউক্রেনের তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং বর্তমান সীমানা আন্তর্জাতিক শক্তি দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

পুতিনের এই প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া কঠিন বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন; রাশিয়ার জেনারেলরা ইতিমধ্যে দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করছে বলে জানিয়েছেন।

পুতিন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, যদি কিয়েভ শান্তিপূর্ণ সমাধানে ইচ্ছুক না হয়, তবে তারা সামরিক উপায়ে সমস্যাগুলো সমাধান করবে।

উভয় পক্ষই দীর্ঘমেয়াদী সংঘর্ষের ক্লান্তি অনুভব করছে; ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে রাশিয়ান বাহিনীর সম্পূর্ণ ডোনেটস্ক দখল করতে সর্বোচ্চ আগস্ট ২০২৭ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে, যদিও এই অনুমান নিশ্চিত নয়।

অগ্রগতির গতি পরিবর্তনশীল এবং সামরিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায় চুক্তির চূড়ান্ত রূপে এখনও বড় অস্বস্তি রয়েছে।

পরবর্তী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠক চুক্তির দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এবং সফল সমঝোতা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments