ববি দোল, ধর্মেন্দ্রার পুত্র, ‘ইক্কিস’ ছবিতে তার পিতার তরুণ রূপের কিছু সংলাপ নিজস্ব কণ্ঠে রেকর্ড করেছেন। ছবিটি ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে থিয়েটারে মুক্তি পাবে এবং বছরের প্রথম বড় মুক্তি হিসেবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই কণ্ঠদান প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল পিতামাতার মধ্যে সেতু গড়ে তোলা এবং চরিত্রের অতীত ও বর্তমানের সংযোগকে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা।
ববির কণ্ঠদান একটি বিরল সহযোগিতা, যেখানে তিনি নিজের স্বর ব্যবহার করে ধর্মেন্দ্রার যুবক অবস্থা পুনর্নির্মাণে সহায়তা করেছেন। এই পদক্ষেপটি ছবির বর্ণনায় অতিরিক্ত বাস্তবতা যোগ করেছে এবং দর্শকদের জন্য চরিত্রের সময়সীমা পরিবর্তনকে আরও স্পষ্ট করেছে। ছবির নির্মাতারা ববির অবদানের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে তাকে ক্রেডিটে উল্লেখ করেছেন।
‘ইক্কিস’ পরিচালনা করেছেন শ্রীরাম রাঘবন, আর প্রযোজনা দায়িত্বে আছেন দীনেশ বিজানের মাডক ফিল্মস। ছবিটি দ্বিতীয় লেফটেন্যান্ট অরুণ খেতারপালের শহীদত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যিনি ১৯৭১ সালের ভারত- পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ২১ বছর বয়সে পারাম ভীর চক্রের প্রথম প্রাপ্য হন। তার বীরত্বের গল্পকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্রটি দেশপ্রেম, সাহস এবং ত্যাগের থিমকে তুলে ধরেছে।
অগস্ত্য নন্দা অরুণ খেতারপালের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, আর ছবিতে জয়দিপ আহলওয়াত ও সিমার ভাটিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অগস্ত্য নন্দার তীক্ষ্ণ অভিনয় এবং অন্যান্য অভিনেতাদের সমন্বিত পারফরম্যান্স ছবির বর্ণনাকে শক্তিশালী করেছে। এই কাস্টের সমন্বয় চলচ্চিত্রের ঐতিহাসিক পটভূমি ও মানবিক দিক উভয়ই তুলে ধরতে সহায়তা করেছে।
প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ের পর সমালোচকরা ছবির আবেগময় গভীরতা, আন্তরিকতা এবং বর্ণনামূলক শক্তিকে প্রশংসা করেছেন। সমালোচনামূলক পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘ইক্কিস’ দর্শকের হৃদয়ে সরাসরি স্পর্শ করে এবং যুদ্ধের কষ্ট ও বীরত্বকে সংবেদনশীলভাবে উপস্থাপন করে। এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ছবির বাণীকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।
ববির কণ্ঠদানকে স্বীকৃতি দিয়ে ছবির শেষ ক্রেডিটে তাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। এই স্বীকৃতি কেবল তার অবদানের স্বীকৃতি নয়, বরং পিতার উত্তরাধিকারকে সম্মান জানিয়ে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। ববির কণ্ঠে ধর্মেন্দ্রার তরুণ রূপের সংলাপগুলো দর্শকের কাছে অতীতের স্মৃতি ও বর্তমানের অনুভূতির মিশ্রণ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
‘ইক্কিস’ ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে থিয়েটারে প্রদর্শিত হবে, যা নতুন বছরের প্রথম বড় চলচ্চিত্র মুক্তি হিসেবে গণ্য। ছবির থিমে বীরত্ব, ঐতিহ্য এবং মানবিক মূল্যবোধের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা নতুন বছরের সূচনায় দর্শকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। মাডক ফিল্মসের এই উদ্যোগটি দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে ঐতিহাসিক বর্ণনা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়কে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘ইক্কিস’ দর্শকদের মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলবে এবং দেশের বীরদের স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে। ববির কণ্ঠদান, পরিচালক শ্রীরাম রাঘবনের দৃষ্টিভঙ্গি এবং অভিনেতা দলের পারফরম্যান্স মিলিয়ে ছবিটি একটি সমন্বিত শিল্পকর্ম হিসেবে গড়ে উঠেছে। চলচ্চিত্রের মুক্তি পরবর্তী সময়ে দর্শকরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিয়ে শিল্প জগতের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক।



