TCL সম্প্রতি নোট‑টেকিং ও রিডিং‑এর জন্য নতুন ট্যাবলেট প্রকাশ করেছে। নামটি TCL Note A1 NXTPAPER, যা কোম্পানির নিজস্ব ‘NXTPAPER’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই ডিভাইসটি ই‑ইঙ্কের পরিবর্তে কাস্টম LCD স্ক্রিনের উপর ভিত্তি করে তৈরি, ফলে রঙিন কন্টেন্ট দেখার সময় ই‑ইঙ্কের সীমাবদ্ধতা কমে। ট্যাবলেটটি ১১.৫ ইঞ্চি বড় স্ক্রিনে কাজ করে এবং উৎপাদনশীলতা‑কেন্দ্রিক ব্যবহারকারীর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
স্ক্রিনটি ‘NXTPAPER Pure’ নামে পরিচিত এবং রেজোলিউশন ২২০০×১৪৪০ পিক্সেল। ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কারণে চিত্রগুলো মসৃণভাবে পরিবর্তিত হয়, যা রিমার্কেবল পেপার প্রো‑এর রঙিন ই‑ইঙ্ক স্ক্রিনের তুলনায় দ্রুত ও পরিষ্কার দেখায়। রঙিন প্রদর্শন সত্ত্বেও ব্যাটারি খরচ কম রাখার জন্য LCD‑এর বিশেষ পেপার‑সদৃশ প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে।
নোট নেওয়া ও অঙ্কন করার জন্য ডিভাইসটি TCL‑এর T‑Pen Pro সমর্থন করে। পেনটি চাপের সংবেদনশীলতা ও কৌণিকতা সনাক্ত করে, ফলে সূক্ষ্ম লাইন ও ভরাট রঙ সহজে তৈরি করা যায়। এছাড়া স্ক্রিনে হ্যান্ডরাইটিংকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য সফটওয়্যারও অন্তর্ভুক্ত।
শব্দ রেকর্ডিং ও ট্রান্সক্রিপশনের জন্য ট্যাবলেটের পিছনে আটটি মাইক্রোফোন বসানো হয়েছে। এই মাইক্রোফোনগুলো একসাথে কাজ করে পরিবেশের শব্দ কমিয়ে স্পষ্ট অডিও ক্যাপচার করে, যা পরে টেক্সটে রূপান্তর করা যায়। ডকুমেন্ট স্ক্যানের জন্য ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যুক্ত, যা কাগজের পাতা দ্রুত ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করতে সক্ষম।
শক্তি সরবরাহের জন্য ৮,০০০ mAh ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা একবার চার্জে দীর্ঘ সময় কাজ করতে পারে। স্টোরেজ হিসেবে ২৫৬ GB অভ্যন্তরীণ মেমরি প্রদান করা হয়েছে, ফলে বড় ফাইল ও মিডিয়া সংরক্ষণে কোনো সমস্যা হয় না। গুগল ড্রাইভ ও মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভের মতো ক্লাউড সেবা সঙ্গে সংযোগের সুবিধা রয়েছে, যাতে ডেটা সহজে ব্যাকআপ ও শেয়ার করা যায়।
ডিভাইসটি অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে চালিত, তবে গুগল প্লে স্টোরের অ্যাক্সেস সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশিত হয়নি। অপারেটিং সিস্টেমের উন্মুক্ততা ব্যবহারকারীদের তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার সম্ভাবনা দেয়, যদিও অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোরের উপস্থিতি নিশ্চিত না।
AI প্রযুক্তি ট্যাবলেটের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে। নোটের বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা, রিয়েল‑টাইম অনুবাদ প্রদান এবং হ্যান্ডরাইটিংকে সুন্দর ফন্টে রূপান্তর করার ফিচারগুলো ব্যবহারকারীর কাজের গতি বাড়ায়। এছাড়া লেখার শ



