20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিখালেদা জিয়ার স্মরণে শোকবই গুলশানে খোলা, স্বাক্ষরের সময়সূচি প্রকাশ

খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকবই গুলশানে খোলা, স্বাক্ষরের সময়সূচি প্রকাশ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর গুলশানের দলীয় চেয়ারপার্সন কার্যালয়ে শোকবই খোলা হয়েছে। শোকবইটি মঙ্গলবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে, যেখানে রাজনৈতিক নেতাবৃন্দ, সমাজের প্রতিনিধিরা এবং সাধারণ মানুষ তাদের সমবেদনা প্রকাশের সুযোগ পাবে।

শোকবইটি গুলশানের বিএনপি সদর দফতরের চেয়ারপার্সন অফিসে স্থাপন করা হয়েছে। স্বাক্ষরের সময়সূচি নির্দিষ্ট করা হয়েছে: মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা, এবং বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই সময়ে যেকোনো ব্যক্তি শোকবইতে স্বাক্ষর করে শোক প্রকাশ করতে পারবেন।

বিএনপি মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, শোকবইতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে দলীয় নেতাবৃন্দ, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা, শুভানুধ্যায়ী, সামাজিক ও পেশাগত সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাদের সম্মান ও সমবেদনা জানাতে পারবে। তিনি উল্লেখ করেন, শোকবইটি সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত, যাতে দেশের বিভিন্ন স্তরের নাগরিক একত্রে শোক শেয়ার করতে পারেন।

বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গেই বিএনপি কর্মীরা এবং দেশের রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলি শোক প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি নেয়। শোকবই খোলার সিদ্ধান্তটি দলের সদস্যদের মধ্যে সমবেত শোকের একটি প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে এক ধরনের ঐক্যবদ্ধতা তৈরি করতে চায়।

বিএনপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে শোকবই খোলার সঙ্গে সঙ্গে দলীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং পার্টির প্রাক্তন সদস্যদের উপস্থিতি প্রত্যাশিত। শোকবইতে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে তারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান ও দেশের ইতিহাসে তার ভূমিকা স্মরণ করতে চান। এই ধরনের সমবেত শোকের মাধ্যমে পার্টির অভ্যন্তরে এবং বাহ্যিকভাবে শোকের প্রকাশকে সংগঠিত করা হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যে বড় প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তিনি দীর্ঘকালীন সময় ধরে বিএনপির মূল স্তম্ভ ছিলেন এবং তার অদূর ভবিষ্যতে পার্টির কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বের কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে পারে। শোকবইতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ পার্টির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে।

বিএনপি এখন শোকের সময়কালে পার্টির কার্যক্রম সাময়িকভাবে কমিয়ে রাখবে এবং শোকের আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পরই রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শোকবই বন্ধ হওয়ার পর পার্টি নেতৃত্বের একটি সমাবেশের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার ও পার্টির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

শোকবই খোলার মাধ্যমে বিএনপি এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠী একত্রে শোক প্রকাশের সুযোগ পাবে, যা দেশের রাজনৈতিক ঐক্য ও সমবেত শোকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। শোকবইয়ের শেষ দিন (১ জানুয়ারি) পর্যন্ত স্বাক্ষরকারী সংখ্যা ও উপস্থিতি পার্টির শোকের মাত্রা ও জনমতকে প্রতিফলিত করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments