20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডা. জাহিদের মন্তব্যে খালেদা জিয়ার মাতৃস্নেহ ও দেশপ্রেমের স্মরণ

ডা. জাহিদের মন্তব্যে খালেদা জিয়ার মাতৃস্নেহ ও দেশপ্রেমের স্মরণ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণে তার প্রাক্তন মন্ত্রী ও দেশের স্বার্থপরায়ণতার প্রতি নিবেদন তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া একদিকে কঠোর অভিভাবক, অন্যদিকে মাতৃস্নেহে ভরা ছিলেন, যা তার নিকটস্থদের কাছে স্পষ্ট ছিল।

ডা. জাহিদ, যিনি বহু বছর ধরে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যসেবা তত্ত্বাবধান করেছেন, বিএনপির উচ্চপদস্থ সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক মঞ্চে তার উপস্থিতি নিয়মিত। তার মন্তব্যগুলো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, মন্ত্রীর গৃহে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

তিনি বলেন, একদিন বাড়ি ফিরে কেউ কিছু না খেয়ে ওনার ঘরে থেকে যেতে পারত না; খালেদা জিয়া খাবার না খেলে কেউ বেরিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতেন না। এই অভ্যাসকে তিনি তার মাতৃস্নেহের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন, যা তার আশেপাশের মানুষকে নিরাপদ ও স্নেহময় পরিবেশ প্রদান করত।

ডা. জাহিদ আরও জোর দিয়ে বলেন, খালেদা জিয়া সবসময় দেশের স্বার্থ, জনগণের মঙ্গল ও স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলার জন্য চিন্তা করতেন। তিনি কোনো এমন কার্যক্রমকে সমর্থন করতেন না, যা মানুষের কষ্টের কারণ হতো। তার এই নীতি তাকে রাজনৈতিক মঞ্চে আলাদা করে তুলেছিল।

মহিলা নেতা হিসেবে তিনি দেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য অবিচল দৃষ্টিভঙ্গি রাখতেন, যা তার সমর্থকদের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস ছিল। ডা. জাহিদের মতে, খালেদা জিয়া কখনোই স্বার্থপরতা বা স্বার্থপরতার ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।

এই মন্তব্যগুলো গুলশানের বিএনপি চেয়ারপার্সনের অফিসে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণের সময় সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বহু নেতৃবৃন্দ ও পার্টির কর্মীরা, যারা মন্ত্রীর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে একত্রিত হয়েছিলেন।

সেই সময়ে বিরোধী দল, বিশেষত আওয়ামী লীগ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পার্টির প্রতিনিধিরা এই মুহূর্তে মন্তব্যে বিরত ছিলেন, যা রাজনৈতিক পরিবেশের সংবেদনশীলতা নির্দেশ করে।

ডা. জাহিদের এই উক্তিগুলো বিএনপির জন্য একটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে, কারণ এগুলো খালেদা জিয়ার মানবিক দিক ও দেশপ্রেমিক চিত্রকে পুনরায় উজ্জ্বল করে। আসন্ন নির্বাচনের পূর্বে এমন স্মরণীয় বক্তব্য পার্টির ভোটার ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়তা করতে পারে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, নেতার ব্যক্তিগত গুণাবলীর ওপর ভিত্তি করে করা এই ধরনের স্মরণীয় মন্তব্যগুলো জনমত গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও শহুরে ভোটারদের মধ্যে মন্ত্রীর মাতৃস্নেহের চিত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতে পারে।

সারসংক্ষেপে, ডা. জাহিদের বক্তব্য খালেদা জিয়ার মাতৃস্নেহ, দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলীর ওপর আলোকপাত করে, যা বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করে। ভবিষ্যতে এই ধরনের স্মরণীয় মন্তব্যগুলো পার্টির কৌশলগত পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments