22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাট্যাক্স কাট ও এআই বুমে ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে

ট্যাক্স কাট ও এআই বুমে ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০২৫ সালে ওঠানামা দেখিয়েছে, তবে ২০২৬ সালে ট্যাক্স কাট, শুল্কের অনিশ্চয়তা কমে যাওয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের ধারাবাহিক বিস্তার এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার হ্রাসের ফলে বৃদ্ধির ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, বড় আকারের ট্যাক্স রিফান্ড এবং বেতন থেকে কম ট্যাক্স কাটা গ্রাহক ব্যয়ের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যা আমেরিকান অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের “ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল” কোম্পানিগুলোর জন্য বিভিন্ন ক্রেডিট ও ট্যাক্স সুবিধা এনে দেয়, যার মধ্যে বিনিয়োগের খরচ সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়ার সুযোগ অন্তর্ভুক্ত। এই ব্যবস্থা ডেটা সেন্টার এবং এআই-সম্পর্কিত প্রকল্পের বাইরে অন্যান্য মূলধন ব্যয়কে উত্সাহিত করতে পারে।

কেপিএমজি প্রধান অর্থনীতিবিদ ডায়ান স্বংক উল্লেখ করেছেন, ফিস্কাল স্টিমুলাসের একক প্রভাব প্রথম ত্রৈমাসিকের জিডিপি বৃদ্ধিতে অর্ধ শতাংশের বেশি যোগ করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক নীতির মূল্য প্রভাব বছরের প্রথমার্ধে শীর্ষে পৌঁছাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদি মূল্যবৃদ্ধি কমে যায়, তবে মজুরি মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে দ্রুত বাড়তে পারে, যা গৃহস্থালী আর্থিক অবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

এআই অবকাঠামোতে ব্যবসায়িক বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। অ্যামাজন এবং গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেটের মতো বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিমাণে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এই প্রবণতা বিশেষ করে সেইসব কোম্পানির জন্য আশাব্যঞ্জক, যারা গত বছর শুল্ক নীতি ও কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে কর্মী নিয়োগে সংকোচন এবং ব্যবসা চালাতে কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছিল।

অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের বিশ্লেষক মাইকেল পিয়ার্সের মতে, নীতি অনিশ্চয়তা কমে যাওয়া, ট্যাক্স কাটের সুবিধা এবং সাম্প্রতিক মুদ্রানীতি শিথিলকরণ একসাথে কাজ করে ২০২৬ সালে অর্থনীতির শক্তি বাড়াবে।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা, তবে তার দ্বিতীয় মেয়াদে শুরুর দিকে অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে, যা তার নীতি বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রভাবকে নির্দেশ করে।

বাজারের দৃষ্টিতে, ট্যাক্স রিফান্ডের বৃদ্ধি এবং করের হ্রাসের ফলে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে, ফলে খুচরা বিক্রয় এবং সেবা খাতের চাহিদা পুনরুদ্ধার হতে পারে।

শুল্কের প্রভাব হ্রাস পেলে আমদানি পণ্যের দাম কমে যাবে, যা ভোক্তা দামের ওপর চাপ কমাবে এবং মুদ্রাস্ফীতির হারকে স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে।

ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার হ্রাসের ধারাবাহিকতা ঋণগ্রহীতা ও ব্যবসার জন্য অর্থায়নকে সহজ করবে, ফলে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হবে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

সারসংক্ষেপে, ট্যাক্স নীতি, শুল্কের স্বচ্ছতা, এআই খাতের বর্ধন এবং মুদ্রানীতির শিথিলকরণ একত্রে ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে আরও দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যাবে, যদিও শুল্কের প্রভাব এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কিছু ঝুঁকি রয়ে গেছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments