যাগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন (JnUCSU) নির্বাচন আজ ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করে তোলা হয়েছে এবং ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই প্রথম নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নতুন দিক উন্মোচন করবে।
মোট ১৫৭ জন প্রার্থী ২১টি কেন্দ্রীয় পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, আর ৩৩ জন প্রার্থী ১৩টি হল ইউনিয়ন পদে প্রতিযোগিতা করছেন। প্রতিটি প্রার্থী নিজস্ব ম্যান্ডেটের জন্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
ভোটদান ৩৯টি পোলিং সেন্টারে, মোট ১৭৮টি বুথে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি বুথে ভোটারদের স্বচ্ছ এবং দ্রুত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৬,৬৪৯ জন ছাত্র-ছাত্রী ভোটের জন্য নিবন্ধিত। এদের মধ্যে ৮,৪৭৯ জন নারী এবং ৮,১৭০ জন পুরুষ। নিবন্ধন তালিকায় নারীর সংখ্যা অর্ধেকের বেশি, যা ভোটের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
প্রথাগতভাবে পুরুষ ছাত্ররা ক্যাম্পাসের রাজনীতিতে বেশি দৃশ্যমান ছিল, তবে এইবার নারীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষক ও শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, নারীর ভোটই ফলাফল নির্ধারণে মূল ভূমিকা রাখবে।
মহিলা ভোটারদের জন্য বাসস্থানের ঘাটতি, হল ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, খাবারের স্বচ্ছতা, পরিবহন সুবিধা এবং যৌন হয়রানি রোধের মতো বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এসব বিষয়ের সমাধানকে কেন্দ্র করে প্রার্থীরা তাদের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করছে।
কিছু নারী ছাত্রের মতে, বাস্তবায়নযোগ্য এবং স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা দলকে সমর্থন করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, একটি মিডিয়া ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী নিরাপত্তা এবং বাসস্থানের সমস্যাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আর একটি অ্যানথ্রোপোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য দায়িত্বশীল দলকে ভোট দিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
ভোটের দিন ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সময়মতো ভোটদান নিশ্চিত করা সকলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের জন্য পরামর্শ: ভোটের আগে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি এবং পরিকল্পনা ভালোভাবে পর্যালোচনা করুন, যাতে আপনার ভোট আপনার প্রয়োজনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।



