20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাঅ্যাস্টন ভিলা চেলসিতে জয়ী হয়ে দশম ধারাবাহিক জয় অর্জন করেছে

অ্যাস্টন ভিলা চেলসিতে জয়ী হয়ে দশম ধারাবাহিক জয় অর্জন করেছে

প্রিমিয়ার লিগের চেলসি স্টেডিয়ামে শনিবার অ্যাস্টন ভিলা দশম জয়ী ম্যাচে মাঠে নামল, যেখানে দলটি ১০টি ধারাবাহিক জয় নিয়ে রেকর্ডের শেষ প্রান্তে পৌঁছেছিল। এই জয়টি ১৮৯৭ ও ১৯১৪ সালের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার সমান করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল। ম্যাচের প্রথমার্ধে চেলসি অধিকাংশ সময়ে আধিপত্য বিস্তার করলেও, ভিলার জন্য শেষ পর্যন্ত ফলাফল বদলে যায়।

চেলসির প্রারম্ভিক আক্রমণগুলোতে তারা একবার গোলের সুযোগ পায় এবং স্কোরের আগে এগিয়ে যায়। রবার্ট সানচেজের রক্ষার পরও চেলসির আক্রমণ চালু থাকে এবং তারা অতিরিক্ত গোলের সম্ভাবনা তৈরি করে। তবে ভিলার প্রতিরক্ষা ধারাবাহিকভাবে চাপ সামলাতে সক্ষম হয় এবং গেমের প্রবাহকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে।

অ্যাস্টন ভিলার ফরোয়ার্ড ওলি ওয়াটকিন্স প্রথমে শিনে আঘাত পেয়ে বলকে পোস্টে ধাক্কা দেন, যা প্রথম গোলের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করে। একই খেলায় ওয়াটকিন্সের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা রবার্ট সানচেজের হ্যান্ডলিংয়ের কারণে থেমে যায়, তবে তিনি দ্রুতই পুনরায় সুযোগ পান।

দ্বিতীয়ার্ধে ওয়াটকিন্সের শটটি শিনে আঘাত করে পোস্টে আঘাত করে, ফলে স্কোর সমান হয়। সমতা ভাঙার মুহূর্তটি আসে যখন ওয়াটকিন্স হেডার দিয়ে গোল করেন, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচের জয় নিশ্চিত করে। এই গোলটি তার এই মৌসুমের চতুর্থ ও পঞ্চম লিগ গোলের মধ্যে একটি, এবং ভিলার জয়ের মূল চাবিকাঠি হয়ে দাঁড়ায়।

এই জয়ের মাধ্যমে ভিলা ধারাবাহিকভাবে একক গোলের পার্থক্যে জয়লাভ করে, যা তাদের শেষ একানবের মধ্যে নয়টি জয়কে অন্তর্ভুক্ত করে। এই দশটি জয়ের মধ্যে শুধুমাত্র একটিতে তারা শূন্য গোলের রক্ষা বজায় রাখতে পেরেছে। এছাড়া, এই ম্যাচগুলোতে ভিলার প্রত্যাশিত গোল (xG) ছয়টি ম্যাচে বেশি ছিল, এবং দুইটি ম্যাচে পার্থক্য ০.২ বা তার কম ছিল।

অ্যাস্টন ভিলার দূরবর্তী ম্যাচে জয়লাভের ধারাবাহিকতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়, কারণ তারা শেষ পাঁচটি আউটসাইড গেমে পিছিয়ে যাওয়ার পরই জয় অর্জন করেছে। এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই না হলেও, বর্তমান পর্যন্ত দলটি এই পদ্ধতিতে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।

তিন সিজনের মধ্যে ভিলার পয়েন্ট সংগ্রহের পরিসংখ্যান দেখায় যে তারা হারের অবস্থান থেকে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট অর্জন করেছে, মোট ৫৪ পয়েন্ট। এই পয়েন্টের মধ্যে ১৮টি এই মৌসুমে অর্জিত, যা দ্বিতীয় স্থানধারী সানডারল্যান্ডের তুলনায় ৫০% বেশি।

সাবস্টিটিউট খেলোয়াড়দের অবদানও উল্লেখযোগ্য, কারণ এই মৌসুমে তারা মোট নয়টি গোলের দায়িত্বে ছিল। এই সংখ্যা দলটির গভীরতা ও বিকল্প খেলোয়াড়দের প্রস্তুতিকে নির্দেশ করে।

কোচ উনাই এমেরির তত্ত্বাবধানে ভিলার আত্মবিশ্বাসের স্তর উচ্চ, যা দলকে কঠিন মুহূর্তে পিছিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও জয় অর্জনে সক্ষম করে। এই মানসিকতা দলকে প্রতিপক্ষের আক্রমণকে মোকাবেলা করতে এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সহায়তা করে।

চেলসির সঙ্গে এই জয় ভিলার রেকর্ডের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, এবং দলটি এখন পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করেছে। বর্তমান জয় ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং রেকর্ডকে অতিক্রম করতে ভিলার জন্য এই মুহূর্তটি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রিমিয়ার লিগের পরবর্তী রাউন্ডে ভিলা আবারও কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, যেখানে তাদের ধারাবাহিকতা পরীক্ষা করা হবে। দলটি এখন পর্যন্ত যে কৌশল ও মানসিকতা দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যৎ ম্যাচে কীভাবে প্রয়োগ হবে তা নজরে থাকবে।

সারসংক্ষেপে, অ্যাস্টন ভিলার চেলসিতে জয় তাদের দশম ধারাবাহিক জয়কে চিহ্নিত করে, যা ঐতিহাসিক রেকর্ডের কাছাকাছি নিয়ে যায়। ওলি ওয়াটকিন্সের গুরুত্বপূর্ণ গোল এবং দলটির পিছিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও জয়লাভের ক্ষমতা এই মৌসুমের অন্যতম বড় গল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments