20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনচ্যাপেল রোয়ান ব্রিজিট বারডোর মৃত্যুর পর সমবেদনা প্রকাশ করলেন

চ্যাপেল রোয়ান ব্রিজিট বারডোর মৃত্যুর পর সমবেদনা প্রকাশ করলেন

মিডওয়েস্টের গায়িকা চ্যাপেল রোয়ান ২৮ ডিসেম্বর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ব্রিজিট বারডোর মৃত্যুর খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে সমবেদনা জানিয়েছেন। একই দিনে বারডোর নামে প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনও ৯১ বছর বয়সে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।

রোয়ান তার পোস্টে মরণোত্তর আইকনের এক ঝলমলে ছবি শেয়ার করে “শান্তি পান, মিস বারডো” লিখেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বারডো তার হিট সিঙ্গেল “রেড ওয়াইন সুপারনোবা”র সৃষ্টিতে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন।

গায়িকাটি তার অ্যালবাম “দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ এ মিডওয়েস্ট প্রিন্সেস”-এর একটি ট্র্যাকে বারডোর প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছু লাইন যুক্ত করেছেন, যেখানে তিনি বলছেন বারডো তার সঙ্গীত ও স্টাইলের মূর্ত প্রতিমা। এই লাইনগুলোতে বারডোর চিত্র ও তার স্বতন্ত্র শৈলীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

বারডোর মৃত্যুর পর বিশ্বব্যাপী ভক্তদের কাছ থেকে শোকের স্রোত বয়ে গেছে। ফরাসি মডেল ও অভিনেত্রীর এই ক্ষতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অসংখ্য সমর্থক তাদের দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বারডো ফাউন্ডেশনও তার মৃত্যুর পর একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে বারডোকে “একজন অসাধারণ নারী” হিসেবে বর্ণনা করেছে, যিনি প্রাণী অধিকার রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। ফাউন্ডেশন ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠা হয় এবং আজও তার আদর্শ অনুসরণ করে বিভিন্ন প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে।

ব্রিজিট বারডোর ক্যারিয়ার বহু দিকের সমন্বয় ছিল। ১৯৫৬ সালের “অ্যান্ড গড ক্রিয়েটেড ওম্যান” চলচ্চিত্রে তার পারফরম্যান্স আন্তর্জাতিক সাফল্য এনে দেয়, আর ১৯৬৮ সালে সের্জ গেইনসবুর্গের সঙ্গে গাওয়া “বনি অ্যান্ড ক্লাইড” গানের মাধ্যমে সঙ্গীত জগতে তার ছাপ রয়ে যায়। তিনি মডেলিং, ফ্যাশন এবং যৌন প্রতীক হিসেবে ১৯৬০‑এর দশকে বিশাল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

আজকের তরুণ শিল্পীও বারডোর প্রভাব থেকে অনুপ্রাণিত। আমেরিকান গায়িকা স্যাব্রিনা কার্পেন্টার তার ফ্যাশন স্টাইলে বারডোর শৈলীকে পুনরায় ব্যাখ্যা করেন, আর পপ সেলিব্রিটি অলিভিয়া রড্রিগো তার গানে বারডোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি লাইন যুক্ত করেন, যেখানে তিনি তাকে “আলোয় ভরা তারকা” হিসেবে বর্ণনা করেন।

তবে বারডোর জীবন কেবল সাফল্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ফ্রান্সের রাজনৈতিক মঞ্চে ডানপন্থী মতাদর্শের সমর্থন প্রকাশ করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। তার বিরুদ্ধে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী বক্তব্যের জন্য পাঁচবার দণ্ডাদেশ জারি হয়েছে, যা তার জনমতকে দ্বিমুখী করেছে।

ব্রিজিট বারডোর মৃত্যুর পর তার শিল্পকর্ম, ফ্যাশন এবং প্রাণী অধিকার সংক্রান্ত কাজগুলোকে স্মরণ করা হচ্ছে, পাশাপাশি তার রাজনৈতিক মতামত ও আইনি সমস্যাগুলোও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিনোদন জগতে তার অবদান ও সামাজিক সক্রিয়তা দুটোই আজও অনুপ্রেরণার উৎস। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শিল্পী ও ভক্তরা একত্রিত হয়ে তার জীবনকে সম্মানিত করার চেষ্টা করছেন।

বারডোর ফাউন্ডেশন তার আদর্শকে বজায় রাখতে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে প্রাণী কল্যাণে আরও বড় অবদান রাখতে পারে। তার স্মৃতি ও কাজের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার দায়িত্ব এখন নতুন প্রজন্মের কাঁধে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments