ঢাকার শিবাগ‑শাহবাগ এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের সিট‑ইন কর্মসূচির সময় একটি যুবককে টয় পিস্তল হাতে ধরা পড়ে। সন্ধ্যাবেলায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদে উপস্থিত সক্রিয় সদস্যরা তাকে নিরাপত্তা রক্ষীকে হস্তান্তর করে, ফলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
ধরা পড়া ব্যক্তির নাম প্রকাশ্যে আনা হয়েছে আরাফাত জামান। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের স্পিকার শারিফ ওসমান হাদির হত্যার ন্যায়বিচার দাবি জানাতে সংগঠিত সিট‑ইনে অংশগ্রহণের সময় এই ঘটনার মুখোমুখি হন।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর আরাফাতকে শিবাগ পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি আইনগত প্রক্রিয়ার অধীন রাখা হয়। স্টেশনে উপস্থিত কর্মকর্তারা তাকে যথাযথ রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা চালান।
শিবাগ পুলিশ স্টেশনের অফিসার‑ইন‑চার্জ মনিরুজ্জামান জানান, ধরা পড়া বস্তুটি বাস্তব বন্দুকের বদলে একটি খেলনা পিস্তল। তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম দৃষ্টিতে এটি সত্যিকারের অস্ত্র বলে ধারণা করা যায়, তবে পর্যালোচনার পর তা টয় হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে।
অফিসার‑ইন‑চার্জ আরও উল্লেখ করেন, ধরা পড়া যুবকটির আচরণ ও মানসিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আরাফাতের চেহারা ও আচরণ থেকে দেখা যায় তিনি মানসিকভাবে অস্থির হতে পারেন, তাই যথাযথ মানসিক মূল্যায়ন করা হবে।
আইনি দিক থেকে, আরাফাত জামানকে সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী আটক করা হয়েছে এবং শিবাগ থানা থেকে শিবাগ জেলায় স্থানান্তরিত করা হবে। তাকে শীঘ্রই স্থানীয় আদালতে হাজির করা হবে, যেখানে অভিযোগের প্রকৃতি ও শাস্তি নির্ধারণের জন্য প্রমাণাদি উপস্থাপন করা হবে।
পুলিশের মতে, টয় পিস্তলটি ফরেনসিক পরীক্ষার অধীন থাকবে, যাতে কোনো অবৈধ উপাদান বা পরিবর্তন আছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া, সিট‑ইনের সময় উপস্থিত অন্যান্য সদস্যদের বিবৃতি সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে ঘটনাস্থলের সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায়।
একই সময়ে, দেশের নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে একটি আলাদা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে: ফরিদপুরের ১৫টি আসনে সর্বনিম্ন সংখ্যক মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে, মোট ১৪২টি। এই তথ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল রেকর্ড থেকে নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের একটি সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইনকিলাব মঞ্চের সিট‑ইন কর্মসূচি এবং আরাফাত জামানের গ্রেফতার উভয়ই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে চলমান। তদন্তের ফলাফল ও আদালতের রায় প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জনসাধারণের নজরে আসবে।



