20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার লেনদেন কমে সূচক হ্রাস

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার লেনদেন কমে সূচক হ্রাস

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয়ই লেনদেনের পরিমাণে হ্রাস দেখেছে এবং মূল সূচকগুলোও পতনের দিকে গিয়েছে। এই প্রবণতা বাজারের সামগ্রিক তরলতা ও স্বল্পমেয়াদী দামের গতি সম্পর্কে ইঙ্গিত প্রদান করে।

ডিএসই-তে সোমবার মোট শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেনের মূল্য প্রায় ৩০৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা রেকর্ড হয়েছে। এটি পূর্ববর্তী কার্যদিবসের তুলনায় ৭৬ কোটি টাকার হ্রাস, যেখানে আগের দিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৮৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। লেনদেনের এই হ্রাস বাজারের অংশগ্রহণে সাময়িক কমতি নির্দেশ করে।

ডিএসই-তে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৫৫টি কোম্পানির দাম হ্রাস পেয়েছে এবং ৯৩টি কোম্পানির দাম অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। দাম বাড়া ও কমা কোম্পানির সংখ্যা সমানুপাতিকভাবে পরিবর্তিত হওয়ায় সূচকের সামগ্রিক পতনে অবদান রেখেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই সোমবার ৩৫ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১৩,৬১৭ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সূচকের এই পতন স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের পরিবর্তনকে প্রতিফলিত করে।

সিএসই-তে মোট ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়েছে, ৭৩টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে এবং ২৯টি প্রতিষ্ঠানের দাম অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। দাম বাড়া ও কমা সংখ্যার পার্থক্য সূচকের হ্রাসকে সমর্থন করেছে।

সিএসই-তে লেনদেনের মোট মূল্য প্রায় ১১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, যা পূর্ববর্তী কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৮ কোটি টাকার হ্রাস। পূর্বে সিএসই-তে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। লেনদেনের এই উল্লেখযোগ্য কমতি বাজারের তরলতা হ্রাসের একটি স্পষ্ট সূচক।

ডিএসই ও সিএসই উভয়ের লেনদেনের পরিমাণে হ্রাসের ফলে বাজারে নগদ প্রবাহের গতি ধীর হয়ে গেছে। তরলতার হ্রাস স্বল্পমেয়াদে শেয়ারের দাম পরিবর্তনের গতি কমাতে পারে এবং বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন বাড়াতে পারে।

বাজারের এই ধারা বিশেষ করে এমন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ, যখন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে। লেনদেনের হ্রাসের পেছনে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ঋণবাজারের অস্থিরতা, মুদ্রা হারের পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক শেয়ার সূচকের ওঠানামা উল্লেখযোগ্য।

তবে, ডিএসই-তে শেয়ার মূল্যের বৃদ্ধি পেয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা মোট লেনদেনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, যা কিছু সেক্টরে ইতিবাচক চাহিদা বজায় রয়েছে তা নির্দেশ করে। একইভাবে, সিএসই-তে ৪৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়া দেখায় যে কিছু শিল্পে এখনও ক্রয়দার বাড়ছে।

বাজারের সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে, লেনদেনের হ্রাস এবং সূচকের পতন স্বল্পমেয়াদে সতর্কতা বাড়াতে পারে, তবে শেয়ার মূল্যের বৈচিত্র্য দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের সুযোগও তৈরি করে। বিনিয়োগকারীদের উচিত বর্তমান প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণে মনোযোগ দেওয়া।

আসন্ন দিনগুলোতে লেনদেনের পরিমাণ ও সূচকের দিকনির্দেশনা কীভাবে পরিবর্তিত হবে তা বাজারের অংশগ্রহণকারীদের জন্য মূল দৃষ্টিপাতের বিষয় হবে। বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে, বাজারের তরলতা পুনরুদ্ধার এবং শেয়ার মূল্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে নীতি নির্ধারক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments