থাকুরগাঁও জেলার থাকুরগাঁও‑১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা আগামী বছর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ফখরুলের নাম নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসারকে সরাসরি প্রদান করা হয়। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন বলে প্রকাশ করেছেন।
মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভোটাধিকার সম্প্রতি পুনরুদ্ধার করা নাগরিকদের জন্য এই নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তাছাড়া, তিনি নিজেকে বিএনপি পক্ষ থেকে থাকুরগাঁও‑১ আসনে মনোনীত হওয়ায় গর্বিত বোধ করেন।
বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দু’জনের সমর্থন ছাড়া এই সুযোগ অর্জন করা সম্ভব হতো না। আলমগীর ঈশ্বরের কাছে ধন্যবাদ জানিয়ে জনগণের সেবা করার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফখরুল উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে এবং এখন তাদের দায়িত্ব হল সঠিক প্রতিনিধিকে নির্বাচন করা। তিনি ভোটারদের আহ্বান জানান, যেন তারা পূর্বের মতোই তার প্রতি সমর্থন বজায় রাখে। এই সমর্থনই তাকে নির্বাচনে সফলতা এনে দেবে, তিনি বিশ্বাস করেন।
নির্বাচিত হলে তিনি থাকুরগাঁও অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেবেন। বিশেষ করে, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন ও নতুন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
আত্মসামাজিক ব্যবস্থাকে মজবুত করার জন্য তিনি সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প চালু করার কথা বলেন। পাশাপাশি, স্থানীয় ব্যবসা ও শিল্পের বিকাশে আর্থিক সহায়তা ও নীতি সমর্থন প্রদান করা হবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ত্বরান্বিত বৃদ্ধি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তিনি নতুন কর্মস্থল গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। কৃষকদের সমস্যার সমাধানে সেচ, সিড ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। বাজারে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত নীতি গঠন করা হবে।
আসন্ন নির্বাচনে তিনি থাকুরগাঁওবাসীকে অনুরোধ করেন, যেন তারা পূর্বের সমর্থন পুনরায় প্রদান করে ভোটের মাধ্যমে তারকে ক্ষমতা দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের আস্থা ও সমর্থনই প্রকৃত পরিবর্তনের ভিত্তি। ভোটের মাধ্যমে তিনি দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবেন, এটাই তার লক্ষ্য।
বিএনপি’র অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও এই নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন; খালেদা জিয়া তিনটি আসনে এবং তারেক রহমান একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই দলীয় কৌশল দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল দেশের সামগ্রিক শাসন কাঠামো নির্ধারণে মূল ভূমিকা রাখবে।
ফখরুলের মনোনয়ন ও তার ঘোষিত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে থাকুরগাঁও অঞ্চলে ভোটারদের মনোভাব গঠন হতে পারে। যদি তিনি জয়ী



