ড্রিশ্যম সিরিজের তৃতীয় অংশের শুটিং এখন গোয়ায় স্থানান্তরিত হয়েছে। ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারি শেষ পর্যন্ত চলবে এই শুটিং সেশন। প্রধান অভিনেতা অজয় দেবগণ, তাবু, শ্রীয়া সারান ও রাজত কাপুরসহ পুরো কাস্ট গোয়ায় উপস্থিত থাকবে।
নতুন মুখ হিসেবে জয়দীপ আহলওয়াত এই ছবিতে যোগ দিচ্ছেন। তীব্র চরিত্রের জন্য পরিচিত আহলওয়াতের উপস্থিতি ড্রিশ্যমের গল্পে নতুন রঙ যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার অভিনয়শৈলী ছবির গতিবিধিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
অজয় দেবগণ, তাবু, শ্রীয়া সারান ও রাজত কাপুর পূর্বের শুটিং পর্যায়ে ফিরে এসে গোয়ায় কাজ চালিয়ে যাবেন। এই চারজনের সমন্বয় ছবির মূল কাহিনীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তাদের প্রত্যেকের ভূমিকা গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ।
গোয়ায় শুটিং শুরু হবে ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে। এই সময়কালে ছবির মূল দৃশ্যগুলো রেকর্ড করা হবে। শুটিং শিডিউল অনুযায়ী, গ্রীষ্মের শেষের আগে সব কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রোডাকশন কাজটি প্যানোরামা স্টুডিওসের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে এবং স্টার স্টুডিও১৮ দ্বারা উপস্থাপিত। উভয় সংস্থাই পূর্বে সফল চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত। ছবির ভিজ্যুয়াল ও টেকনিক্যাল দিকগুলোতে এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরিচালনা দায়িত্বে আছেন অভিষেক পাঠক, যিনি একই সঙ্গে ছবির গল্পের লেখক হিসেবেও কাজ করছেন। সহ-লেখক হিসেবে আছেন আমিল কিয়ান খান ও পারভেজ শাখ। এই ত্রয়ী গল্পের গঠন ও সংলাপকে সমৃদ্ধ করে তুলবে।
প্রযোজনা দলটিতে আলোক জৈন, অজিত আন্ধারে, কুমার মঙ্গাট পাঠক ও অভিষেক পাঠক অন্তর্ভুক্ত। তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছবির গুণগত মান নিশ্চিত করবে। প্রযোজকরা ছবির বাণিজ্যিক ও সৃজনশীল দিক উভয়ই সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।
ড্রিশ্যম ৩ একটি পারিবারিক থ্রিলার হিসেবে চিহ্নিত, যেখানে প্রধান চরিত্র বিকি স্যালগাঁওকারের বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে যায়। দর্শকরা জানতে পারবেন তিনি আবারও সিস্টেমকে কীভাবে চতুরভাবে পরাস্ত করেন। ছবির কাহিনী পূর্বের দুই অংশের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন মোড় যোগ করবে।
চলচ্চিত্রটি ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর থিয়েটারে মুক্তি পাবে। মুক্তির তারিখটি পূর্বে ঘোষিত হয়েছে এবং সিনেমা হলের সূচিতে ইতিমধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এই তারিখের আশেপাশে প্রচারমূলক কার্যক্রম চালু হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ড্রিশ্যমের ভক্তরা ‘ড্রিশ্যম ডে’ নামে নির্ধারিত তারিখে ছবির প্রথম দৃশ্য দেখতে পাবেন। ছবির রিলিজের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গোয়ায় শুটিং শেষ হওয়ার পর ছবির পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে, যাতে নির্ধারিত মুক্তির তারিখে কোনো দেরি না হয়।
এই শুটিং পর্যায়ে গোয়ার প্রাকৃতিক দৃশ্য ও সমুদ্রতীরের পটভূমি ছবির ভিজ্যুয়ালকে সমৃদ্ধ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে মিশে ছবির গল্পের বাস্তবতা বাড়বে। গোয়ায় শুটিং শেষ হওয়ার পর, ছবির চূড়ান্ত রূপ দর্শকের সামনে উপস্থাপিত হবে।



