গতকাল হোম মন্ত্রণালয়ের আইন ও শৃঙ্খলা কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে প্রার্থীর নামফলক কেনার চেষ্টা করা কোনো “ফ্যাসিস্ট” উপাদানকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম রোধে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে জোর দেওয়া হয় যে, অভিযুক্তের প্রভাব বা অবস্থান যাই হোক না কেন, তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে কোনো রকম লেনদেনের অনুমতি থাকবে না; কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত সকল সরকারি কর্মচারীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ সম্পাদন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ধরনের সতর্কতা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
বিএনপি কার্যকরী চেয়ারম্যান তারিক রহমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দিকেও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়। ঢাকা ও রাজধানীর বাইরে তারিকের পাবলিক প্রোগ্রাম চলাকালীন নিরাপত্তা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
ইনকিলাব মঞ্চের নতুন দাবিগুলোর দিকে নজর দেওয়া হয় এবং এই দাবিগুলোকে মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হওয়া নিশ্চিত করতে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ ও সতর্কতা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয় যে, প্ল্যাটফর্ম সমাবেশে অচেনা ব্যক্তি ও সম্ভাব্য উস্কানিমূলক উপাদান প্রবেশের ঘটনা লক্ষ্য করা হয়েছে। এ ধরনের অনুপ্রবেশ রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নজরদারি বাড়াতে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।
একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের প্রতি অতিরিক্ত কঠোরতা না দেখিয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সিলেটসহ সীমান্ত অঞ্চলে বাড়তে থাকা অবৈধ কার্যকলাপের পরিপ্রেক্ষিতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আইনি শাস্তি বাড়াতে এবং নজরদারি শক্তিশালী করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপগুলো নির্বাচনী পরিবেশকে নিরাপদ ও স্বচ্ছ রাখতে সহায়তা করবে।



