22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদকবিরোধী অভিযানে সাতজন সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদকবিরোধী অভিযানে সাতজন সন্দেহভাজন গ্রেফতার

রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, সকাল প্রায় ৭টা ৪০ মিনিটে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলায় মাদক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। একই সময়ে স্থানীয় পুলিশ ও বোয়ালমারী সেনা ক্যাম্পের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালু হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ সাতজন সন্দেহভাজন গ্রেফতার করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়।

প্রাপ্ত গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায় যে, ওই সময়ে একটি বড় মাদক লেনদেন হতে যাচ্ছে। তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সেনা ক্যাম্পের কর্মকর্তারা যৌথভাবে অভিযান পরিকল্পনা করেন।

অভিযানটি সেনা ক্যাম্পের নেতৃত্বে স্থানীয় পুলিশ ইউনিটের সহায়তায় সম্পন্ন হয়। দলটি লক্ষ্যবস্তু স্থানে পৌঁছে তৎক্ষণাৎ অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানের সময়ে প্রধান সন্দেহভাজন মিলন (২৯ বছর) প্রথমে ধরা পড়ে।

মিলনের সঙ্গে আরও ছয়জন সন্দেহভাজন গ্রেফতার হয়; পিন্টু (৩৮), রেজাউল (২৫), সজীব (৩০), এনামুল (৩৮), সফিউল (২৮) এবং রবিন (২৮)। তাদের প্রত্যেকের নাম ও বয়স মূল প্রতিবেদনে যেমন উল্লেখ আছে তেমনি রাখা হয়েছে।

তল্লাশি চলাকালে ৪০৪টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মোট ১,২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা যায়। উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ স্থানীয় মাদক বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

বাজেয়াপ্ত মাদকের সব কিস্তি যথাযথভাবে প্রমাণ সংরক্ষণাগারে হস্তান্তর করা হয়। আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে মাদক ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। তাদের স্বীকারোক্তি অনুসারে, তারা স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরবরাহ ও বিক্রয় পরিচালনা করতেন।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে মামলা দায়েরের কাজ বর্তমানে চলছে। সংশ্লিষ্ট আইনি দল যথাযথ প্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতে উপস্থাপন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজার মোট বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ ষাট হাজার টাকার কাছাকাছি বলে অনুমান করা হয়েছে। এই মূল্যায়ন স্থানীয় মাদক বাজারের বর্তমান দামের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

মামলাটি ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে দাখিল হবে। আদালতে প্রমাণ উপস্থাপনের পর, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তি নির্ধারণের জন্য যথাযথ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

অধিক তদন্তের মাধ্যমে মাদক সরবরাহ চেইনের অন্যান্য সংযোগস্থল ও সহায়ক ব্যক্তিদের সনাক্ত করার কাজ চালিয়ে যাবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

জনসাধারণকে মাদক সংক্রান্ত কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপের তথ্য দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে সহযোগিতা করতে বলা হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments