20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজয়পুরহাট ২০ বি.জি.বি. ব্যাটালিয়ন তার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে

জয়পুরহাট ২০ বি.জি.বি. ব্যাটালিয়ন তার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে

জয়পুরহাটের ২০ নম্বর বি.জি.বি. ব্যাটালিয়ন রবিবার দুপুর ১২টায় সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে। অনুষ্ঠানে কেক কাটা, আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ এবং পারিবারিক ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। উপস্থিতির মধ্যে ব্যাটালিয়নের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংস্থার প্রতিনিধিরা, পাশাপাশি গণমাধ্যমের কর্মী ও সৈন্যদের পরিবার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সীমান্ত গার্ড (বিজিবি) দিনাজপুর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সাল হাসান খান উপস্থিত ছিলেন। তিনি অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অব্যাহত সেবা ও শৃঙ্খলা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বিজিবি জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। তার নেতৃত্বে কেক কাটা এবং আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়। এই মুহূর্তটি ব্যাটালিয়নের কর্মী ও তাদের পরিবারের জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ.এম. জাবের বিন জব্বার, দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান এবং জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট মিনা মাহমুদা। প্রত্যেকেই নিরাপত্তা সংস্থার সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তির পর একটি প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। এতে বিজিবি সৈন্যদের পরিবার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ভোজের সময় উপস্থিতিরা পারস্পরিক পরিচয় বাড়িয়ে নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে জনসাধারণের সংযোগ দৃঢ় করার সুযোগ পেয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর অবদানকে স্বীকৃতি দেন এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমন্বিত কাজের আহ্বান জানান। তারা উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের অনুষ্ঠান সৈন্যদের মনোবল বাড়াতে এবং জনসাধারণের সঙ্গে বিশ্বাসের সেতু গড়তে সহায়ক।

কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সাল হাসান খান অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন যে, ব্যাটালিয়নটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অঞ্চলের সীমান্ত রক্ষা ও অবৈধ প্রবেশ রোধে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। তিনি ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জামায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

উল্লেখযোগ্য যে, এই বার্ষিকী উদযাপনটি বিজিবি বাহিনীর কৌশলগত গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে ব্যাটালিয়নটি প্রশিক্ষণ শিবির, জনসচেতনতা কর্মসূচি এবং সীমান্ত রক্ষার নতুন উদ্যোগ চালু করার পরিকল্পনা করেছে, যা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিবেশকে আরও স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments