19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসৌম্য শেয়ার করেছেন বিবাহের পর স্ত্রীর ক্রিকেট জ্ঞান নিয়ে হাস্যকর গল্প

সৌম্য শেয়ার করেছেন বিবাহের পর স্ত্রীর ক্রিকেট জ্ঞান নিয়ে হাস্যকর গল্প

সৌম্য এবং পূজা চার বছরের সম্পর্কের পর ২০২০ সালে বিয়ে করেন। শুরুর দিকে পূজা ক্রিকেটের মৌলিক ধারণা সম্পর্কে অল্পই জানতেন, যা তাদের পারস্পরিক মজার কথোপকথনের ভিত্তি হয়ে ওঠে।

সৌম্য একবার ঘরোয়া ক্রিকেটে একশো রান করার পর পূজার প্রতিক্রিয়া স্মরণ করেন। পূজা তখন বলেছিলেন, “আজ কথা বলবেন না, আপনি বিশ্রাম নিন, এত দৌড়ের পর ক্লান্ত হবেন।” তার কথায় তিনি রানের সংখ্যাকে শারীরিক দৌড়ের সঙ্গে তুলনা করছিলেন, যা দুজনেরই হাসি ফোটায়।

কয়েকটি ম্যাচের পর যখন সৌম্য শূন্য রানে আউট হলেন, পূজা আবার ভিন্ন মন্তব্য করেন। তিনি বললেন, “আজ কোনো দৌড় হয়নি, তাই কথা বলতে কোনো বাধা নেই।” এই রসিকতা দুজনের মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

সৌম্য উল্লেখ করেন, পূজা তখন ক্রিকেটের কোনো জ্ঞান না থাকলেও তার সরলতা তাকে আকৃষ্ট করেছিল। তিনি বলেন, “ক্রিকেটের জটিলতা না জানলেও পূজার সরলতা আমাকে বেশি পছন্দ ছিল।” এই সরলতা তাদের সম্পর্কের মধুরতা বৃদ্ধি করেছিল।

বিবাহের পর পূজা ধীরে ধীরে ক্রিকেটের কিছু মৌলিক বিষয় শিখতে শুরু করেন। তবে এটি তার স্বামী একজন ক্রিকেটার হওয়ার কারণে নয়, বরং তার মনোভাব ও আবেগ বুঝতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকে।

সৌম্য জানান, পূজা এখন ম্যাচের ফলাফল, স্কোরের মৌলিক ধারণা এবং খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স সম্পর্কে সচেতন। তিনি যোগ করেন, “এখন পূজা ক্রিকেটের কিছুটা বোঝেন, তবে তা তার স্বামীকে সমর্থন করার জন্য নয়, বরং তার মেজাজ বুঝতে।” এই পরিবর্তন তাদের পারস্পরিক যোগাযোগকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

দম্পতি দুজনের মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এখনো ভিন্ন, তবে তা তাদের সম্পর্কের কোনো বাধা নয়। পূজা এখন কখনো কখনো ম্যাচের সময় স্কোরের আপডেট চায়, আর সৌম্য তার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আনন্দ পায়।

সৌম্য এই গল্পটি শেয়ার করার মাধ্যমে দেখাতে চান যে, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং হাস্যরসের মাধ্যমে কোনো বিষয়ের জটিলতা সহজে হজম করা যায়। তিনি বলেন, “ক্রিকেটের জটিলতা না জানলেও, একে অপরের সঙ্গে হাসি ভাগ করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।” এই দৃষ্টিভঙ্গি তাদের দাম্পত্য জীবনে নতুন রঙ যোগ করেছে।

দম্পতি এখনো একসাথে ক্রিকেটের ম্যাচ দেখেন, যদিও পূজা এখনো সব ট্যাকটিক্যাল বিশ্লেষণ বুঝতে পারেন না। তবু তিনি ম্যাচের উত্তেজনা ও আনন্দ ভাগ করে নিতে পছন্দ করেন।

সৌম্য উল্লেখ করেন, পূজার ক্রিকেট জ্ঞান বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পারিবারিক পরিবেশে আরও হাস্যরসের মুহূর্ত যোগ হয়েছে। তিনি বলেন, “যদি পূজা এখনো শূন্য রানে আউট হন, তবে আমি তাকে শূন্য দৌড়ের মতোই সমর্থন করব।” এই রসিকতা তাদের দৈনন্দিন কথোপকথনে স্বাভাবিক হয়ে গেছে।

সামগ্রিকভাবে, দম্পতির গল্পটি দেখায় যে, পারস্পরিক বোঝাপড়া, হাস্যরস এবং ধৈর্য্য দিয়ে কোনো বিষয়ের জটিলতা সহজে গ্রহণ করা যায়। পূজা এখন ক্রিকেটের কিছু মৌলিক ধারণা জানলেও, তার সরলতা এবং সৌম্যের সঙ্গে ভাগ করা হাস্যকর স্মৃতি তাদের সম্পর্ককে মজবুত করেছে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments