20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপির চেয়ারম্যানের প্রতি কটূক্তি অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষককে আদালত জামিন মঞ্জুর

বিএনপির চেয়ারম্যানের প্রতি কটূক্তি অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষককে আদালত জামিন মঞ্জুর

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা রবিবার বিকালে শোনা শুনি শেষে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কটূক্তি অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক এ কে এম শহিদুল ইসলামের জামিন অনুমোদন করেন। জামিন আদেশের বিষয়টি প্রোsecution বিভাগের উপপরিদর্শক স্বপন নিশ্চিত করেছেন।

শহিদুল ইসলাম গাবতলী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপাধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করেন। গত শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ও ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারতের সময় তিনি তারেক রহমানকে “চাঁদাবাজ” ও “সন্ত্রাসী” বলে চিৎকার করার অভিযোগে পুলিশ রেকর্ড করেছে।

অভিযোগের পর, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে আটক করে শাহবাগ থানার পুলিশে হস্তান্তর করেন। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

শহিদুল ইসলামের গ্রেপ্তার এবং জেলখানায় স্থানান্তরের পর, ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে তাকে জামিন প্রদান করা হয়। জামিন শর্তে তিনি আদালতে নিয়মিত হাজির হওয়া এবং কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়া নিশ্চিত করতে হবে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই ঘটনার ওপর মন্তব্য করে বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে এবং বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতার পক্ষে সংগ্রাম করে আসছে। তিনি গ্রেপ্তারকে অনুচিত বলে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং সকলকে গণতান্ত্রিক অধিকারকে সম্মান করার আহ্বান জানান।

প্রতিবাদী দলগুলোর মধ্যে এই ঘটনার ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলাকালীন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

বিএনপির নেতৃত্বের মতে, এই ধরনের মামলায় দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা দরকার, যাতে রাজনৈতিক বিরোধের ফলে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে যথাযথ তদন্তের দাবি করা হচ্ছে।

শহিদুল ইসলামের জামিনের পর, তিনি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তার আইনজীবী দল ইতিমধ্যে আদালতে তার মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছে।

এই মামলায় প্রোsecution বিভাগের উপপরিদর্শক স্বপন জামিন আদেশের বৈধতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা উল্লেখ করেছেন, যদি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে গ্রেপ্তার হন, তবে তা দ্রুত সংশোধন করা উচিত, যাতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

অবশেষে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এই জামিন আদেশের ফলে, এ কে এম শহিদুল ইসলামের আইনি প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে কোনো নতুন অভিযোগ উঠলে তা আবার আদালতে বিবেচনা করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments