19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি একেএম শহিদুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি, গ্রেপ্তারকে ‘কটূক্তি’ অভিযোগে

বিএনপি একেএম শহিদুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি, গ্রেপ্তারকে ‘কটূক্তি’ অভিযোগে

শুক্রবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এক শিক্ষকের ‘কটূক্তি’ অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর, বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টি (বিএনপি) তার অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এই দাবি দলীয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে শনিবার রাতেই প্রকাশিত হয়।

শিক্ষক একেএম শহিদুল ইসলামকে ঢাকা গাবতলী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কর্মরত অবস্থায় ‘কটূক্তি’ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারটি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয় বলে জানা যায়, যাকে বিএনপি পার্টির বিশিষ্ট নেতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

বিএনপি দল শনিবার রাতে রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে একটি বিবৃতি জারি করে, যেখানে গ্রেপ্তারকে অবৈধ এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দলটি উল্লেখ করে, গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানো শিক্ষকের অধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং তা অবিলম্বে সংশোধন করা দরকার।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “বিএনপি বিশ্বাস করে যে নিজের মত প্রকাশের কারণে একেএম শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা সঠিক নয়; তাই আমরা অবিলম্বে এবং নিঃশর্তভাবে তার মুক্তি চেয়ে নিচ্ছি, যাতে গণতান্ত্রিক অধিকারকে সম্মান করা যায়।” এই দাবি শিক্ষকের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার ওপর ভিত্তি করে।

সেই একই শনিবার, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির কবরজিয়ারত করতে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। কবরজিয়ারত শেষে তিনি এবং অন্যান্য নেতারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখেন, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের সঙ্গে সংযুক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

কবরজিয়ারত সমাপ্তির পর, পুলিশ শহিদুল ইসলামকে দলীয় নেতাদের হাতে হস্তান্তর করে। এই হস্তান্তরটি গ্রেপ্তারকে ‘কটূক্তি’ অভিযোগের ভিত্তিতে করা হওয়ায়, দলীয় নেতারা শিক্ষকের মুক্তি ও ন্যায়বিচার দাবি করে।

একেএম শহিদুল ইসলাম গাবতলী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন এবং তার শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে কোনো পূর্বে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপের রেকর্ড নেই। তার কর্মজীবন মূলত কারিগরি প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর কেন্দ্রীভূত, যা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখে।

বিএনপি দল এই ঘটনার মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে পুনরায় জোর দিয়ে বলেছে যে, কোনো নাগরিককে তার ব্যক্তিগত মতামতের জন্য গ্রেপ্তার করা উচিত নয়। দলটি সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে, যাতে আইন প্রয়োগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, যদি শিক্ষকের মুক্তি না হয় তবে এটি রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং পার্টির মধ্যে বিরোধের নতুন রূপ নিতে পারে। অন্যদিকে, শিক্ষকের দ্রুত মুক্তি পার্টির সমর্থকদের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারে এবং সরকারের সঙ্গে সংলাপের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

বিএনপি এখন শিক্ষকের মুক্তি ও গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে। ভবিষ্যতে দলটি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে অথবা উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাতে পারে, যাতে এই ধরনের ঘটনা পুনরায় না ঘটে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments