কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১৪ জন বাংলা ভাষাভাষী ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। একই সময়ে বাংলাদেশ গার্ড (বিজিবি) তাদের তৎক্ষণাৎ বাধা দেয় এবং প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ঘটনাটি দৌলতপুরের আশ্রয়ণ বি.ও.পি. দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ঘটেছে।
প্রচেষ্টাকারীদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। মৃত হারুন শেখের ছেলে শেখ জব্বার (৭২) এবং তার চার সন্তান—শেখ হাকিম (৪৩), শেখ ওকিল (৪০), শেখ রাজা (৩২) ও শেখ বান্টি (৩০)—সহ তাদের স্ত্রী শাবেরা বিবি (৩০), শমশেরি বিবি (৩৮), মাইনু বিবি (২৫) এবং আলকনি বিবি (৬২) উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্তভাবে মৃত শেখ হোসেনের স্ত্রী গুলশান বিবি (৯০) এবং শিশু শাকিলা খাতুন (১১), নাছরিন আক্তার (১২), শেখ তাওহিদ (১১) ও এক বছর অর্ধেক বয়সী শেখ রুহিতও দলকে ঘিরে ছিলেন।
বিজিবি-৪৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে, বিএসএফের পুশ‑ইন প্রচেষ্টা তীব্র হলে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের প্রস্তুতি এবং ঘটনাবলীর বিস্তারিত তথ্য বিজিবি কর্তৃক প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে একই এলাকায় আরেকটি অনুরূপ প্রচেষ্টা সনাক্ত হয়, তবে দ্রুত পদক্ষেপে তা রোধ করা যায়।
বিজিবি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৫ মিনিটের মধ্যে পুশ‑ইনকারী দলকে আটক করে, তাদের সরঞ্জাম ও নথি তল্লাশি করা হয়।
বৈঠকে মহিষকুন্ডি বি.ও.পি.র সুবেদার মো. আসাদুজ্জামান নেতৃত্বে ছয়জন বিজিবি সদস্য এবং বিএসএফের নিউ উদয় কোম্পানি কমান্ডার এসি অনিল কুমারসহ ছয়জন কর্মকর্তা অংশ নেন। বৈঠকটি সীমান্তের মেইন পিলার ১৫৪/০৭, ভারতের চাইডোবা মাঠের নিকটে দুপুর ১:৪০ থেকে ২:২০ পর্যন্ত চলে।
পতাকা বৈঠকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা সীমান্তে অবৈধ প্রবেশের ঝুঁকি, ভবিষ্যৎ প্রত



