বিএনপি দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা আজ বিকেলে সাভারের জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভে শোকস্মারক রশি অর্পণ করেন, যা পার্টির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তরিক রহমানের পক্ষ থেকে সম্পন্ন হয়।
রশি অর্পণের সময়সূচি সূর্যাস্তের আগে শেষ করতে পার্টির নিয়ম অনুসারে ১৭:০৬ টায় সম্পন্ন হয়।
দলীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানান, তরিক রহমানের দেরি মূলত তার পিতার সমাধি পরিদর্শনের কারণে হয়।
গয়েশ্বর রায় আরও যোগ করেন, জিয়া রাহমানের সমাধি পরিদর্শনের পর তরিক রহমান সরাসরি স্মৃতিস্তম্ভে যাওয়ার পথে ছিলেন, তবে সময়সীমা পূরণে রশি অর্পণ তার প্রতিনিধিদের মাধ্যমে করা হয়।
তিনি তরিকের শীঘ্রই উপস্থিতির আশ্বাসও দেন, “তিনি কিছুক্ষণ পরই আসবেন” বলে মন্তব্য করেন।
বিএনপি মিডিয়া সেল তার ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, তরিক রহমানের উপস্থিতি সূর্যাস্তের আগে সম্ভব না হওয়ায় জ্যেষ্ঠ নেতাদের মাধ্যমে রশি অর্পণ করা হয়।
অভিনন্দন অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পাশাপাশি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য আবদুল মোইন খান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানুল্লাহ আমান ও লুৎফুজ্জামান বাবার, ঢাকা জেলা বিএনপি সভাপতি খান্দকার আবু আশফাক এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্য কয়েকজন উচ্চপদস্থ নেতারাও সমাবেশে অংশ নেন, তবে তাদের নাম প্রকাশ্যে উল্লেখ করা হয়নি।
স্মৃতিস্তম্ভের মূল মন্দিরে রশি অর্পণ করার সময় সূর্যাস্তের আগে শেষ করা বাধ্যতামূলক, তাই তরিকের অনুপস্থিতিতে দলীয় প্রতিনিধিরা সময়মতো কাজ সম্পন্ন করেন।
এই অনুষ্ঠানটি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি সম্মানসূচক, যা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মরণে করা হয়।
বিএনপি নেতৃত্বের মতে, শোকস্মারক অর্পণ দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক গোষ্ঠীর সমন্বয়কে তুলে ধরে, যা পার্টির ঐক্যবদ্ধ চিত্রকে পুনরুজ্জীবিত করে।
তরিক রহমানের বিদেশে ১৭ বছর পর দেশে ফিরে আসা রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সূচনায় এই ধরনের প্রতীকী কাজকে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দলীয় কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, তরিকের উপস্থিতি না থাকলেও তার নেতৃত্বের ছাপ রশি অর্পণের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
বিএনপি মিডিয়া সেল পোস্টে তরিকের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও শোকস্মারক অর্পণকে “দলীয় ঐক্যের প্রতীক” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
স্মৃতিস্তম্ভে রশি অর্পণের পর উপস্থিত নেতারা সংক্ষিপ্তভাবে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও জাতীয় ঐক্যের কথা উল্লেখ করেন।
কোনো হিংসা বা দুর্ঘটনা ঘটেনি, এবং ঘটনাস্থলে কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি।
অধিকাংশ বিশ্লেষক এই ঘটনাকে বিএনপির রাজনৈতিক পুনরুজ্জীবনের সূচক হিসেবে দেখছেন, তবে পার্টি নিজে এটিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি সম্মানসূচক হিসেবে তুলে ধরেছে।
বিএনপি নেতারা তরিকের বিদেশে দীর্ঘ সময়ের পর দেশে ফিরে আসা এবং তার নেতৃত্বে পার্টির পুনর্গঠনকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
স্মৃতিস্তম্ভের রশি অর্পণ অনুষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর সমন্বয়কে তুলে ধরার পাশাপাশি রাজনৈতিক সমতা বজায় রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচিত।
দলীয় কর্মকর্তারা তরিকের অনুপস্থিতিতে রশি অর্পণকে “দলীয় শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা”র উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে শান্তিপূর্ণ সংলাপের আহ্বান জানান।
বিএনপি মিডিয়া সেল পোস্টে তরিকের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও রশি অর্পণকে “দলীয় ঐক্যের প্রতীক” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
স্মৃতিস্তম্ভের রশি অর্পণ অনুষ্ঠানটি জাতীয় স্বাতন্ত্র্য ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি ঐতিহ্যবাহী রীতি।
বিএনপি নেতৃত্বের মতে, তরিকের বিদেশে দীর্ঘ সময়ের পর দেশে ফিরে আসা এবং তার নেতৃত্বে পার্টির পুনর্গঠনকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
এই ধরনের প্রতীকী কাজগুলো ভবিষ্যতে পার্টির রাজনৈতিক কৌশল ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিএনপি কর্মকর্তারা তরিকের উপস্থিতি না থাকলেও তার নেতৃত্বের ছাপ রশি অর্পণের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
স্মৃতিস্তম্ভে রশি অর্পণের পর উপস্থিত নেতারা সংক্ষিপ্তভাবে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও জাতীয় ঐক্যের কথা উল্লেখ করেন।
কোনো হিংসা বা দুর্ঘটনা ঘটেনি, এবং ঘটনাস্থলে কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বিএনপি মিডিয়া সেল পোস্টে তরিকের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও রশি অর্পণকে “দলীয় ঐক্যের প্রতীক” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক গোষ্ঠীর সমন্বয়কে তুলে ধরে, যা পার্টির ঐক্যবদ্ধ চিত্রকে পুনরুজ্জীবিত করে।
বিএনপি নেতৃত্বের মতে, শোকস্মারক অর্পণ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মরণে করা হয় এবং রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সূচনায় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।



