20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতরিক রহমানের সফরের আগে সাভারের জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধে নিরাপত্তা জোরদার

তরিক রহমানের সফরের আগে সাভারের জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধে নিরাপত্তা জোরদার

বিএনপির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তরিক রহমানের আজ সাভারের জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধে সফরের পূর্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তীব্র করা হয়েছে। ঢাকার জেলা অতিরিক্ত সুপারইন্টেনডেন্ট অফ পুলিশ আরাফাতুল ইসলাম জানিয়েছেন, তরিকের আগমনের জন্য স্মৃতিসৌধের চারপাশে প্রায় এক হাজার একশো পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, সীমানা গার্ড বাংলাদেশ এবং সেনাবাহিনীর কিছু ইউনিটও নিরাপত্তা দায়িত্বে রয়েছে।

স্মৃতিসৌধের দায়িত্বে থাকা পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্টের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার অন্বর হোসেন খান আনু জানান, আজ সকাল থেকে সাধারণ দর্শকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিরাপত্তা তদারকি করার দায়িত্বে আছেন চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (CSF)। সাংবাদিকদের জন্য সকাল ৯ টা পর্যন্ত স্মৃতিসৌধে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তবে তার পর সব প্রবেশাধিকার বন্ধ থাকবে।

তরিক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্তরের বিএনপি নেতা ও কর্মীরা স্মৃতিসৌধের বাইরে সমাবেশ করে গৃহীত হয়েছে। তরিকের উপস্থিতি পার্টির জন্য মানসিক পুনর্স্থাপনা এবং দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন সমন্বয়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তরিক সফরের সময় “এই দেশটি পাহাড় ও সমতলভূমির মানুষ, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদেরই” বলে উল্লেখ করে জাতীয় ঐক্যের কথা জোর দিয়েছেন।

স্মৃতিসৌধের দরজা তরিকের সফর শেষ হওয়ার পরই আবার খুলবে, যাতে সাধারণ মানুষও স্মৃতিসৌধের পরিবেশ উপভোগ করতে পারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা তীব্র করার মূল উদ্দেশ্য হল সম্ভাব্য অশান্তি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিরোধ, যা বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে প্রায়শই উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকে।

এই নিরাপত্তা পদক্ষেপের মধ্যে রাব, বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর সমন্বিত উপস্থিতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ তারা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সীমানা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরিকের সফর দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে নতুন দৃষ্টিকোণ আনতে পারে, তবে একই সঙ্গে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সতর্কতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তীব্র করে তুলেছে।

স্মৃতিসৌধে প্রবেশের সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তরিকের সফরের আগে এবং পরে উভয় সময়ে নিরাপত্তা কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

বিএনপি নেতারা তরিকের সফরের মাধ্যমে পার্টির পুনর্গঠন ও জনমত গঠনে নতুন দিকনির্দেশনা পেতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছে। তরিকের ১৭ বছর পর দেশে ফিরে আসা এবং এখনো দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তার উপস্থিতি কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা আগামী দিনগুলোতে স্পষ্ট হবে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সতর্কতা এবং পার্টির সক্রিয়তা একসাথে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments