সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএল ১২তম মৌসুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই দিনে চারটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি দল প্রথমবারের মতো লিগে অংশগ্রহণ করে, যা দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
প্রথম ম্যাচে সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, আর দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিরুদ্ধে নোয়াখালী এক্সপ্রেস খেলবে। উভয় ম্যাচই একই দিনে নির্ধারিত, যা ভক্তদের জন্য একসাথে দুইটি উত্তেজনাপূর্ণ টাকায় শেষ হবে।
প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী প্রথম ম্যাচের শুরুর সময় দুপুর ২টায় নির্ধারিত ছিল, তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আকার ছোট হওয়ায় সময় পরিবর্তন করে ৩টায় শুরু করা হয়। দ্বিতীয় ম্যাচের শুরুর সময়ও সামান্য পরিবর্তন হয়ে রাত ৮:৩০ টায় অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যাপারে প্রথমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বড় আকারের পরিকল্পনা করেছিল, তবে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তা বাতিল করা হয়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের আগে ১৫ মিনিটের সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিকতা এবং দুই ম্যাচের মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাখা হয়।
এই বছর ট্রফি উন্মোচন, ফটোসেশন বা টাইটেল স্পন্সরের নাম প্রকাশের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ট্রফি এখনও চূড়ান্ত রূপে নেই এবং স্পন্সরের নামও এখনো অজানা। সাধারণত লিগের শুরুর আগে এইসব অনুষ্ঠান হয়, তবে এইবার তা বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ভক্ত ও বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে।
উদ্বোধনী দিনেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানায় হঠাৎ পরিবর্তন ঘটেছে। দলটির পূর্বে নির্ধারিত কর্ণধার ও মালিকের আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে তারা লিগ থেকে সরে দাঁড়ায়। ফলে বিসিবি দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং নতুন কোচ নিয়োগ করে, যাতে দলটি শুরুর আগে প্রস্তুত থাকতে পারে।
বিপিএল অতীতে নানা বিতর্ক, প্রশ্ন ও সংশয়ের মুখোমুখি হয়েছে। বোর্ডের গভর্নিং কাউন্সিলের মুখ বদলেছে, তবু লিগের মূল কাঠামো ও পরিচালনায় বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। এইবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও একই ধরণের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা স্পষ্ট হয়েছে।
লিগের পরবর্তী ম্যাচগুলোও একই স্টেডিয়ামে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলো তাদের পারফরম্যান্স দিয়ে দর্শকদের মন জয় করার চেষ্টা করবে। ভক্তদের জন্য এখনো অনেক ম্যাচ বাকি, এবং প্রত্যেক ম্যাচে দলগুলোর কৌশল ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই মূল আকর্ষণ হবে।



